বন্দর টোল রোডের ফ্লাইওভারের পিলারে ‘ফাটল’

আজাদী প্রতিবেদন | বুধবার , ১০ নভেম্বর, ২০২১ at ৪:৪৯ পূর্বাহ্ণ

চট্টগ্রাম বন্দর টোল রোডের ফ্লাইওভারের পিলারে ফাটল দেখা দিয়েছে। দশ বছরের পুরনো ফ্লাইওভারের একটি পিলারের উপরের অংশে ফাটলটি দেখা যাচ্ছে। তবে এ ফাটল ফ্লাইওভারের জন্য হুমকি কীনা তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। সড়ক ও জনপথ বিভাগ ফাটলটির ব্যাপারে অবহিত নয়। তবে আজ ফ্লাইওভারের এই ফাটলের ব্যাপারে খোঁজ খবর নেয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।
চট্টগ্রাম বন্দরের পণ্য পরিবহনে গতিশীলতা আনতে টোল রোড থেকে সরাসরি একটি ফ্লাইওভার বন্দর ইয়ার্ডে যুক্ত করা হয়। বন্দরের কন্টেনারবাহী প্রাইম মুভারগুলো এই ফ্লাইওভারের উপর দিয়ে টোল রোডে চলাচল করে। বিমানবন্দর সড়কের বন্দর এলাকার যান চলাচলে প্রতিবন্ধকতা দূর করতে সল্টগোলা ক্রসিং এলাকার উপর দিয়ে ফ্লাইওভারটি টোল রোডে যুক্ত করা হয়।
এই ফ্লাইওভার দিয়ে বন্দরের চিটাগাং কন্টেনার টার্মিনাল (সিসিটি) এবং নিউমুরিং কন্টেনার টার্মিনাল (এনসিটি) থেকে পণ্যবাহী ট্রাক, কাভার্ড ভ্যান ও প্রাইম মুভার শহরের রাস্তা স্পর্শ না করেই চলাচল করতে পারে। ১৪২০ মিটার লম্বা ফ্লাইওভারটিই চট্টগ্রামের প্রথম ফ্লাইওভার। এতে মুল ফ্লাইওভার ৯৭৮.০৫ মিটার এবং দুদিকের র‌্যাম্প ২০৩.৫৩ মিটার। ২৩৮.৮২ মিটার সংযোগ সড়কও এই ফ্লাইওভারের জন্য নির্মাণ করা হয়। ১০.৬০ মিটার প্রস্থ দুই লেনের ফ্লাইওভারটি নির্মাণে ব্যয় হয়েছিল প্রায় ৯০ কোটি টাকা। ২০০৮ সালের মে মাসে এটির নির্মাণ কাজ শুরু হয়, চালু হয় ২০১০ সালে। গত দশ বছরেরও বেশি সময় ফ্লাইওভারটির উপর দিয়ে বন্দরের গাড়ি চলাচল করছে উল্লেখ করে সূত্র বলেছে, কোনদিন এতে সংকট দেখা দেয়নি।
তবে গত কয়েকদিন ধরে সল্টগোলা ক্রসিং এলাকায় একটি পিলারে বেশ বড় ফাটল দেখা যাচ্ছে। স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শী সূত্র জানায়, বেশ স্পষ্ট একটি ফাটল দেখা যাচ্ছে। তবে এটি ফ্লাইওভারের মূল স্ট্রাকচারের কোন ক্ষতি হয়েছে কীনা তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
এ ব্যাপারে সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী পিন্টু কুমার চাকমার সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বিষয়টি অবহিত নন বলে জানান। তবে আজ খোঁজখবর নেবেন বলেও তিনি আশ্বস্ত করেন।

পূর্ববর্তী নিবন্ধবন্দরকে হরতাল অবরোধ ও ধর্মঘটমুক্ত রাখতে আইন চাই
পরবর্তী নিবন্ধতৃতীয় স্ত্রীর সহায়তায় চতুর্থ স্ত্রীকে খুন