৭৩ তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত স্মরণানুষ্ঠানে বক্তারা বলেছেন, আবদুল করিম সাহিত্যবিশারদ ছিলেন উনিশ–বিশ শতকের বাঙালি সারস্বত–সমাজের প্রথিতযশা পুরুষ। তিনিই প্রথম বাঙালি মুসলমান, যিনি সর্বমহলে পণ্ডিতরূপে স্বীকৃতি ও সমাদর পেয়েছিলেন। তিনি ছিলেন ঐতিহ্যসাধক। তিনি মনে করতেন, ‘সংস্কৃতি–পরিবেশ নিরপেক্ষ নহে’ এবং ‘এই পরিবেশের প্রধান উপাদান ঐতিহ্য’। আবদুল করিম সাহিত্যবিশারদের সমকালে বাংলায় সাহিত্য সৃষ্টি এবং সাহিত্যের ইতিহাস রচনায় হিন্দু–মুসলমান বিভেদের ছায়া পড়েছিল। তিনি সাহিত্যে সাম্প্রদায়িকতার এই ধারার তীব্র প্রতিবাদ করেছেন।
গত ৩০ সেপ্টেম্বর চট্টগ্রাাম থিয়েটার ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে স্মরণসভা কমিটির আহ্বায়ক কবি প্রাবন্ধিক অভীক ওসমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত স্মরণানুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন শিক্ষাবিদ প্রফেসর রীতা দত্ত। বিশেষ অতিথি ছিলেন মুক্তিযোদ্ধা সাংবাদিক নাসিরুদ্দিন চৌধুরী, গবেষক মুহাম্মদ শামসুল হক, কবি–সাংবাদিক রাশেদ রউফ, প্রফেসর এ বিএম আবু নোমান, ড. কুন্তল বড়ুয়া ও অধ্যক্ষ শিমুল বড়ুয়া। শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন অধ্যাপক সনজীব বড়ুয়া, কবি শিবু কান্তি দাশ, সাংবাদিক এস এম এ কে জাহাঙ্গীর, সাহিত্যবিশারদ স্মৃতি পরিষদের সভাপতি আবু ছৈয়দ চেয়ারম্যান, অধ্যাপক অভিজিৎ বড়ুয়া মানু, অধ্যাপক অজিত মিত্র, অধ্যাপক ভগীরথ দাশ, আবদুর রহমান রুবেল, শৈবাল বড়ুয়া, সত্যজিৎ দাশ কাঞ্চন, শহীদুল ইসলাম প্রমুখ।
আবৃত্তিশিল্পী কঙ্কন দাশের সঞ্চালনায় বক্তারা আরো বলেন, সাহিত্যবিশারদের কৃতীর একটি বড় দিক হলো লোকসাহিত্যের সংগ্রহ ও সংকলন। তাঁরা বলেন, বাংলাদেশের মানুষকে, বিশেষত বাঙালির জাতীয় সংস্কৃতি এবং এর বিভাজন নিয়ে যাঁরা বিভ্রান্তির মধ্যে আছেন, আবদুল করিম সাহিত্যবিশারদের চিন্তাধারা ও দৃষ্টিভঙ্গি তাঁদের পথ দেখাতে পারে। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।













