কাট্টলীতে বৈশাখী উৎসব

সাহাদাত হোসাইন সাহেদ | শনিবার , ২৫ এপ্রিল, ২০২৬ at ৫:২৬ পূর্বাহ্ণ

মোঘল সম্রাট আকবরের শাসন কাল থেকে পহেলা বৈশাখ নানা রঙে রঙিন সাজে ধরা দেয়। খাজনা পূরণের সুবিধা নিতে বাংলা চৈত্রের শেষ ক্রান্তিতে কৃষক জমিদার ও ভুস্বামীর কাছে বৈশাখ হয়ে উঠে প্রাণবন্ধন। বলা যায়, লোকজ জীবনের সেতুবন্ধন হয়ে আবহমান বাংলার ষষ্ঠী রূপে আবির্ভাব হয় পহেলা বৈশাখ।

নববর্ষ আসে নতুন ভোরের আলো নিয়ে। উৎসবের জীবন্ত স্বরূপে হানাহানি, বিশৃঙ্খলা ধুয়ে মুছে অনুরিত হয় নতুন সৃষ্টিশীলতার সাতকাহন। বারো মাসের তের পার্বনের মধ্যে সবচেয়ে প্রাণের রোলে উজ্জীবিত কাঠপাঠা রোদ উত্তাপে জড়ানো পহেলা বৈশাখ। যা বাঙালির আত্মকথনের উল্লেখযোগ্য মহা মিলনের উৎসব। তবে সময়ের বিবর্তনে কৃষ্টিতে দেখা দে নানা পরিবর্তন। সব ধর্মের লোক মিলে মিশে একাকার হয়ে স্বাদ নেয় উৎসবের ইলিশপান্তার আয়োজন। খই, মুড়ি, নাড়ু, মিষ্টি পায়েসের সমপ্রীতিতে এখনো জমে উঠে প্রাণে প্রাণে। চৈত্রের শেষ দিনক্ষণে আড়িপাতে শুরু হয় নতুনের হালখাতা। পাড়ায় পাড়ায়, এলাকায় এলাকায় রোল পরে বর্ষবরণ উৎসব মুখর বলিখেলা। বলাবাহুল্য যা এখন সচরাচর চোখে পড়ে না। চোখে পড়ে না ভর্তামুখী জীবন ব্যবস্থা। কালের আবহে দেথা মিলে না বাঙালি সংস্কৃতির ধারক পুতুল নাচ, যাত্রা ও কবি গানের লড়াই। বিলম্ব হলেও উত্তর কাট্টলীর অদিতি সঙ্গীত নিকতনের উদ্যোগে উদযাপিত হতে যাচ্ছে বৈশাখী উৎসব। ২৫শে এপ্রিল কাট্টলী সিটি কর্পোরেশন বালিকা বিদ্যালয় ও কলেজ মাঠে অনুষ্ঠিত মহামিলনের শেষ দিন। উক্ত মেলায় ঘটবে গুণীর উম্মেষ, মিলবে গুণী সংবর্ধনা। থাকবে বাযোস্কোপ, জাদু, মেলাবারনী, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানসহ নানা বিষয়ভিক্তিক আয়োজন।

পূর্ববর্তী নিবন্ধপটিয়া পৌরসভায় পরিবেশবান্ধব বর্জ্য ব্যবস্থাপনা চাই
পরবর্তী নিবন্ধতোমার কথা ঠিক