আত্মতৃপ্তি আর আত্মঅনুশোচনা দুটোই জীবনে ভীষণ দরকার। যদি আপনার ভালোকাজে আত্মতুষ্টি মনে হয়, তবে তা পজিটিভ আর খারাপ কাজে আত্মতৃপ্তি ঘটে তা নেগেটিভ। তবে অনেকেই দ্বিতীয়টা করে মজা পায়। এটা তার নেগেটিভিটির পরিচয়। আর আত্ম অনুশোচনাও তেমন। হয়তো কেউ ভাবে কাজটি আরো ভালো করলে অনেক মানুষের উপকার হতো। আবার কেউ ভাবে কারো বেশি ক্ষতি করতে না পারায় তার অনুশোচনা। আসলে সমাজে চারপাশের মানুষগুলো খুব নেগেটিভ চিন্তা নিয়ে বাস করে। আপনি যদি আপনার সৃষ্টিকর্তার কাছে জবাবদিহিতার কথা ভাবেন, তখনই আপনার চিন্তা ধারা শুদ্ধ হবে। এটা আপনারই চিন্তা,আপনারই কর্ম। এখানে কারো হাত নেই। সত্যি বলতে কি আপনার পরিবার অনেকাংশে এর জন্য দায়ী। আপনার বেড়ে উঠার সময়গুলো আপনার পরিবারের মানুষের আচরণ দেখে তার দ্বারা প্রভাবিত হয়। সেটাই আপনার আচরণে গেড়ে বসে। তাই পরিবারের শিক্ষাটা সবসময়ই সুন্দর, শোভন, শালীন হতে হয়। পরোপকারিতা, অহিংসাই হোক পরিবারের মূল মন্ত্র। পরনিন্দা, পরচর্চা এগুলো বাদ দিয়ে নিজের মত বাঁচা। অপরের বাঁচায় নিজেকে যতটুকু সাহায্য করা যায়, ততটুকু নিঃশব্দে করা। ভালো থাকুন, সুস্থ পরিবার, সুস্থ সমাজ, সুস্থ রাষ্ট্র গড়ে তুলুন।











