খাদ্যে বিষ, মৌসুমি ফলে রাসায়নিক, পরিবেশ দূষণ, সব মিলিয়ে এক দূর্বিষহ জীবন যাত্রা। মরণঘাতী ক্যান্সার হৃদরোগ ঘরে ঘরে। আস্ত কলার ছড়া পাকানো এবং দীর্ঘ সময় দাম ধরে রেখে বিক্রয়ের জন্য চুবানো হচ্ছে ড্রাম ভর্তি রাসায়নিকে। মৌসুমি ফল আম লিছুতে স্প্রে করা হচ্ছে রঙিন রাসায়নিক, শাক সবজিতেও রাসায়নিক, আপেল আঙুর মালটা রাসায়নিকে ডুবিয়ে দীর্ঘ সময় দাম ধরে রেখে বিক্রয় হচ্ছে বিক্রেতার সুবিধার্থে, এসব ফল খেয়ে আমাদের শরীরে মরণ ব্যাধি বাসা বাঁধছে প্রতিনিয়ত।
অনেক বড় বড় খাদ্য প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান ও হোটেলে বিক্রয় বাণিজ্য করতে খাদ্যে মেশানো হচ্ছে ভেজাল। এই অপকর্মগুলোর ভিডিও বিভিন্ন কন্টেন্ট ক্রিয়েটরগণ ভাইরাল করেন, অপকর্মের ভিডিও দেখান – অপরাধীর চেহারা দেখান না, ফেসবুক ইউটিউবে এসব ভাইরাল করে ভিউ আর্ন করেন! আমাদের মানবিকতা কোথায় গিয়ে ঠেকেছে – ভেবে দেখুন!
প্রশাসনের বিজ্ঞ ম্যাজিষ্ট্রেটগণ এসব প্রাণঘাতী অপরাধীদের ১০/২০/৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেন। অপরাধীরা মনের আনন্দে নগণ্য জরিমানা পরিশোধ করে আবার জীবনঘাতী অপরাধে লিপ্ত হয়। অনেক বড় বড় হোটেলে খাদ্যে ভেজাল মেশানোর দায়ে ৫০ হাজার / ১ লক্ষ টাকা জরিমানা করা হয় – অথচ এসব হোটেলের প্রতিদিনের লভ্যাংশ কয়েক লক্ষ টাকা! ভেবে দেখুন আমাদের জীবনযাত্রার ভয়াবহতা!












