সিজেকেএস ক্লাব সমিতি আয়োজিত সিসিএস ট্যালেন্ট কাপ টি–টোয়েন্টি ক্রিকেট টুর্নামেন্টের দ্বিতীয় রাউন্ডের শেষ খেলায় ইয়ং স্টার ক্লাব এবং নোয়াপাড়া লায়ন্স ক্লাব জয় পেয়েছে। ইয়ং স্টার ক্লাবের এটি টানা তৃতীয় জয় এবং নোয়াপাড়া লায়ন্স ক্লাবের তিন খেলায় দ্বিতীয় জয়। গতকাল বুধবার চট্টগ্রাম জেলা স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত দিনের প্রথম খেলায় ইয়ং স্টার ক্লাব ৮ উইকেটে মাদারবাড়ী উদয়ন সংঘকে পরাজিত করে। টস জিতে মাদারবাড়ী উদয়ন প্রথমে ব্যাট করতে নামে। ১৮.৪ ওভার খেলে তারা মাত্র ৫৮ রানে গুটিয়ে যায়। দলের পক্ষে ফয়সাল ১৩, সাদমান ১২ এবং রাব্বি অপরাজিত ১১ রান করেন। ইয়ং স্টারের ক্লাবের পক্ষে সাকিব খান ৬ রান দিয়ে ৩টি উইকেট তুলে নেন। জবাবে ইয়ং স্টার ক্লাব ১১.৩ ওভার খেলে ২ উইকেট হারিয়ে ৬২ রান তুলে নেয়। ওপেনার ইফেতেখার মাহিন ২১ এবং ফরহাদ হোসেন ১৫ রান করে অপরাজিত থাকেন। এছাড়া ১০ রান করেন শ্রাবণ মির্জা। অতিরিক্ত থেকে আসে ১২ রান। বিজয়ী দলের সাকিব খান প্লেয়ার অব দি ম্যাচ হন।

তার হাতে পুরস্কার তুলে দেন ইয়ং স্টার ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মো. আকতারুজ্জামান ও মাদারবাড়ি উদয়ন সংঘের ম্যানেজার মো. সেলিম। প্রতিদ্বন্দ্বিতাময় অপর খেলায় নোয়াপাড়া লায়ন্স ক্লাব ৩ রানে আবেদিন ক্লাবকে পরাজিত করে। আবেদিন ক্লাব তাদের দুটি খেলার দুটিতেই পরাজিত হয়েছে। টসে জিতে নোয়াপাড়া লায়ন্স প্রথমে ব্যাট করতে নামে। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে তারা ১২৪ রান সংগ্রহ করে। দলের পক্ষে অধিনায়ক হাসান ৩৬,রাহুল দাশ ২৩ এবং ইশতিয়াক আহমেদ ১৩ রান করেন। ১১ রান করে সংগ্রহ করেন আমাজ উদ্দিন এবং ফারহান ইশরাক। অতিরিক্ত থেকে আসে ১৩ রান। আবেদিন ক্লাবের পক্ষে মুহতাসিম শাহরিয়ার ৩টি এবং সাইমন ২টি উইকেট পান। জবাবে আবেদিন ক্লাব জয়ের কাছাকাছি এসেও হার মানতে বাধ্য হয়। তারা ২০ ওভারে ৯ উইকেটে ১২১ রান তুলতে পারে। দলের সুহাদ এলাহিন ৪০ বলে সর্বোচ্চ ৫৭ রান করেন ৪টি চার এবং ৩টি ছক্কায়। কিন্তু মেহেদি ১৪ ছাড়া আর কেউ দুই অংকের ঘরে যেতে পারেনি। ১৯.৩ ওভারে আবেদিন ক্লাব ১১৭ রান সংগ্রহ করেছিল। বাকি তিন বলে জয়ের জন্য ৮ রানের প্রয়োজন ছিল তাদের। কিন্তু আবেদিনের ব্যাটাররা ৪ রান সংগ্রহ করতে পারে। নোয়াপাড়া লায়ন্সের পক্ষে ২টি উইকেট লাভ করেন আবদুল্লাহ আল নোমান। ৩৬ রান এবং ১টি উইকেট পাওয়ার সুবাদে প্লেয়ার অব দি ম্যাচ নির্বাচিত হন বিজয়ী দলের হাসান। তার হাতে পুরস্কার তুলে দেন সাবেক ক্রিকেটার শাকিল আবেদিন।










