হালদা নদীর সংযুক্ত খালে কেমিক্যালযুক্ত পানি ফেলে পরিবেশ দূষণের অভিযোগে হাটহাজারীর একটি প্রতিষ্ঠানকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করেছে উপজেলা প্রশাসন। পরিবেশ ছাড়পত্র ছাড়াই কেমিক্যাল গুদামজাত করারও প্রমাণ পেয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। গতকাল সোমবার বিকেলে উপজেলার চিকনদণ্ডী ইউনিয়নের ফতেয়াবাদ ছড়ারকুল এলাকায় এ অভিযান চালানো হয়।
অভিযান সূত্রে জানা যায়, হালদা নদীর সংযুক্ত খালে কারখানার দূষিত পানি সরাসরি নির্গমনের অভিযোগের ভিত্তিতে ওই এলাকায় অভিযান চালায় উপজেলা প্রশাসন। হাটহাজারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মুহাম্মদ আবদুল্লাহ আল মুমিন ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আল আমিন হোসেন গ্লোবাল এন্টারপ্রাইজ, আল রাজিসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান সরেজমিন পরিদর্শন করেন।
এ সময় মেসার্স গ্লোবাল এন্টারপ্রাইজ কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে পরিবেশ ছাড়পত্র ছাড়াই কেমিক্যাল গুদামজাত করা এবং কেমিক্যালযুক্ত পানি সরাসরি ড্রেনের মাধ্যমে ছড়ারকুল খালে ফেলার সত্যতা পাওয়া যায়। পরে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আল আমিন হোসেনের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে প্রতিষ্ঠানটিকে পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫–এর সংশ্লিষ্ট ধারায় ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। পরে ডিজিটাল ক্যাশ রেজিস্ট্রারের (ডিসিআর) মাধ্যমে জরিমানার টাকা আদায় করা হয়। অভিযান পরিচালনার সময় পরিবেশ অধিদপ্তর চট্টগ্রামের প্রসিকিউশন টিম এবং হাটহাজারী মডেল থানা পুলিশের একটি দল সহযোগিতা করে।
ইউএনও মুহাম্মদ আবদুল্লাহ আল মুমিন অভিযানের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, হালদা নদীর পরিবেশ সুরক্ষায় নদীর সংযুক্ত খাল–ছড়ায় কেমিক্যাল, অপরিশোধিত বর্জ্য কিংবা যেকোনো দূষণকারী পদার্থ নির্গমনের মাধ্যমে পরিবেশের ক্ষতি করলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। হালদা নদীর পরিবেশ সুরক্ষায় এ ধরনের অভিযান ও নজরদারি অব্যাহত থাকবে।












