অবশেষে রাউজান–ফটিকছড়ি উপজেলার হাজারো মানুষের দুর্ভোগের অবসান হচ্ছে রাউজান–ফটিকছড়ির সংযোগ সর্তা খালের উপর হচ্চার ব্রিজ নির্মাণের চূড়ান্ত অনুমোদন পাওয়ার মাধ্যমে। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল বিভাগ ব্রিজটি নির্মাণের জন্য প্রায় পৌনে ২৫ কোটি টাকার প্রকল্প ব্যয় অনুমোদন দিয়েছে। আগামী সপ্তাহের মধ্যে এ প্রকল্প কাজের জন্য টেন্ডার আহ্বান করা হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। সুফলভোগী এলাকার বাসিন্দা জিয়াউল হক সুমন বলেছেন, এই ব্রিজটি নির্মাণের ফলে সর্বাধিকভাবে উপকৃত হবে রাউজান–ফটিকছড়ির হাজারো কৃষিজীবী। যারা যুগে যুগে সর্তা খালের পানি সাঁতরিয়ে উৎপাদিত ফসল নিয়ে এপার–ওপার যাতায়াত করতেন। এই ব্রিজটি নির্মাণের উদ্যোগ নেয়ায় কৃষকদের উৎপাদিত শাক সবজি আর নষ্ট হবে না। ব্রিজ এলাকার বাসিন্দা সবুজ বড়ুয়া বলেছেন, যুগ যুগ ধরে সর্তা খালের হচ্চারঘাটের কোমর পানিতে হাজারো নারী পুরুষ যাতায়াত করে আসছে। শুধু তাই নয় ফটিকছড়ি ও রাউজান দুই উপজেলার কলেজ, স্কুল, মাদরাসা পড়ুয়া শিক্ষার্থীরা এভাবে যাতায়াতের মাধ্যমে পড়াশোনা চালিয়ে আসছে। এখন ব্রিজটি নির্মাণ হচ্ছে শুনে রাউজান–ফটিকছড়ির দুর্ভোগ কবলিত মানুষের মাঝে উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে।
সরেজমিনে পরিদর্শন করে দেখা যায়, রাউজান উপজেলার উত্তরপূর্ব ও ফটিকছড়ি উপজেলার দক্ষিণ পূর্ব সীমান্তে প্রবহমান সর্তা খালের সাথে অবস্থিত এই হচ্চারঘাট। পাহাড় থেকে নেমে আসা স্রোতে খালটিতে বর্ষাকাল ছাড়া সারাবছর থাকে হাঁটু থেকে কোমর পানি। ফটিকছড়ি ও রাউজান দুই উপজেলার মানুষের রয়েছে আদিকাল থেকে আত্মীয়তার বন্ধন। উভয় পাড়ে রয়েছে এপার ওপারের শিক্ষার্থী, কৃষিজীবীদের প্রতিদিনের যাওয়া–আসা এই খালের পানি সাঁতরিয়ে। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল বিভাগের রাউজান উপজেলা প্রকৌশলী আবুল কালাম ব্রিজ নির্মাণ প্রস্তুতি প্রসঙ্গে বলেছেন, রাউজানের এমপি মহোদয়ের প্রচেষ্টায় আগেই একনেক থেকে এই প্রকল্পটি অনুমোদন পাওয়া যায়।














