মহেশখালীর এলএনজি টার্মিনালটি পুরোপুরি সচল হতে আরো দুয়েক সপ্তাহ লেগে যেতে পারে বলে আভাস দিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। তিনি বলেছেন, আমরা আশা করছি আগামী সপ্তাহ থেকে গ্যাস সংকট কিছুটা কাটতে শুরু করবে। যদি তাদের (প্রকৌশলীদের) পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ এগোয়, তাহলে প্রথম ধাপে ২৮০ থেকে ৩০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা সম্ভব হবে। এরপরের সপ্তাহে শতভাগ সক্ষমতা ফিরে আসবে বলে তারা আশা করছে। খবর বিডিনিউজের।
সমুদ্রপথে আনা এলএনজি গ্রহণ ও সংরক্ষণ করা হয় ভাসমান টার্মিনাল বা এফএসআরইউতে। পরে সেটি আবার গ্যাসে রূপান্তর করে পাইপলাইনের মাধ্যমে পাঠানো হয় জাতীয় গ্রিডে। এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে মহেশখালীতে দুটি ভাসমান টার্মিনাল রয়েছে। কারিগরি ত্রুটিতে ২১ জুলাই একটি এলএনজি টার্মিনাল বন্ধ হয়ে যায়, যার প্রভাবে পড়ে দেশজুড়ে। টার্মিনালটি মেরামত করতে চার–পাঁচ দিন সময় লাগতে পারে বলে গত শনিবার রূপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাস কোম্পানি লিমিটেডের (আরপিজিসিএল) তরফে বলা হয়েছিল। কিন্তু গতকাল সোমবার প্রতিমন্ত্রীর মুখ থেকে আরো বেশি সময় লেগে যাওয়ার বার্তা এল। কবে নাগাদ টার্মিনালটি পুরোপুরি সচল হবে, সেই প্রশ্নে নির্দিষ্ট দিনক্ষণ দিতে চান না অনিন্দ্য ইসলাম। গতকাল সোমবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন, এর আগেও তারা (প্রকৌশলীরা) সময়সীমা দিয়েছিল, কিন্তু প্রযুক্তিগত কারণে তা সম্ভব হয়নি। তাই এবার আমরা নির্দিষ্ট দিন–তারিখ বলছি না।












