হাটহাজারীতে পর পর দুইটি সড়ক দুর্ঘটনার পর গতকাল বৃহস্পতিবার যাত্রীবাহী বাস উল্টে গিয়ে শিশুসহ ২০ জন যাত্রী আহত হয়েছে। গতকাল বিকালে হাটহাজারী নাজিরহাট আঞ্চলিক মহাসড়কের চারিয়া বোর্ড স্কুল এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, চট্টগ্রাম থেকে যাত্রী নিয়ে একটি বাস নাজিরহাটের দিকে যাচ্ছিল। পথিমধ্যে উল্লেখিত স্থানে পৌঁছালে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাসটি সড়কের পাশে খাদে পড়ে যায়। এসময় শিশুসহ প্রায় ২০ জন যাত্রী আহত হয়েছে। আহতদের স্থানীয়রা উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে আসা হয়। ৫ জনের আঘাত গুরুতর হওয়ায় তাদেরকে উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয় হয়। দুর্ঘটনার সংবাদ পেযে হাটহাজারী ফায়ার সার্ভিস দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে বাসটি থেকে যাত্রীদের উদ্ধার করেন। আহত যাত্রী রুমি আক্তার জানান, আমি বাসে করে চট্টগ্রাম থেকে ফটিকছড়ি যাওয়ার পথে বাসটি হাটহাজারীর মুন্সির মসজিদ অতিক্রম করার পর দ্রুত গতিতে চালানোর কারণে দুর্ঘটনাটি ঘটে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. মেহের নিগার কুমকুম জানান, দুর্ঘটনায় গুরুতর আহতদের প্রাথমিক চিকিৎসা সেবা প্রদান করে ৫ জনকে চমেক হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। বাকি আহতদেরকে চিকিৎসা সেবা দেয়া হয়। প্রসঙ্গত, গত ২ সেপ্টেম্বর একই স্থানে সিএনজি টেক্সির সাথে প্রাইভেট কারের মুখোমুখি সংঘর্ষে ৯ জন আহত হয়। আহতদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক সিএনজি অটো রিকশা চালক মোঃ এরশাদ (৩৮) কে মৃত বলে ঘোষণা করেন। দুর্ঘটনার পাঁচ দিন পর আহত কলেজ শিক্ষার্থী মাহিম (২০) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু বরন করেন। গত মঙ্গলবার রাতে একই স্থানে মোঃ এমরান (২২) নামে এক ব্যাক্তি আহত হলে বিক্ষুব্ধ জনতা নিরাপদ সড়কের দাবিতে সড়ক অবরোধ করে। রাত সাড়ে আটটা রাত সাড়ে ১১টা পর্যন্ত অবরোধের কারণে শত শত গাড়ি সড়কে আটকা পড়লে বিপুল সংখ্যক লোকজনকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়। পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ আবদুল্লাহ আল মুমিন, সহকারী কমিশনার (ভূমি) শাহেদ আরমান, রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, আইন শৃক্সখলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা সড়ক নিরাপত্তার আশ্বাস দিলে বিক্ষুব্ধ জনতা অবরোধ তুলে নেয়।









