মানুষ হওয়ার মৌলিক অর্থ হওয়া উচিত মানবিকতা

এস.টি.এফ.যূঁথী | সোমবার , ২৭ এপ্রিল, ২০২৬ at ৮:০৮ পূর্বাহ্ণ

মানুষ সৃষ্টির সেরা জীব। মানুষের পরিচয় তার কথায় কাজে, চিন্তায় এবং আচরণের মাধ্যমেই প্রকাশ পায়। কেউ সহানুভূতিশীল, কেউ আবেগপ্রবণ, কেউ কৌতুহলী, কেউ আবার প্রচণ্ড নিষ্ঠুর। আবার কেউ ভালোবাসা দেয় নিঃস্বার্থভাবে। মানুষ যেমনই হোক না কেন? মানুষ হওয়ার মৌলিক অর্থ হওয়া উচিত মানবিকতা। মানবিকতার মত একটি মহৎ গুণ আছে বলেই আমরা মানুষ। তাই মানুষ কখনো হাসে, কখনো কাঁদে, কখনো স্বপ্ন বুনে। কখনো আবার প্রচণ্ড লড়াই করে নিজের সাথে। মানুষে মানুষে ভালোবাসা, সহমর্মিতা ও সহানুভূতি দেখানোর মাধ্যমে মানুষ অন্য প্রাণী থেকে আলাদা হয়। মানুষ বড় অভিমানীও হয় কখনো কখনো। এত আচরণ, নানা বৈচিত্র্যময় জীব মানুষ। মানুষ গড়তে জানে, ভাঙতেও জানে। আবার নিজেকে তৈরি করতেও জানে। সবচেয়ে বড় কথা মানুষের কিছু মৌলিকতা, কিছু নিজস্বতা, তাকে আরও সুন্দরভাবে উপস্থাপন করে মানুষ হিসেবে। এই সব গুণাবলি চর্চার মাধ্যমে বিকশিত হয়। মানুষকে মানুষ বলা হবে তখনই! যখন একজন মানুষের মানবিকতা ফুটে উঠবে। মানুষ তার আচরণ, ভালোমন্দ, বিবেক, বুদ্ধিকে কাজে লাগিয়ে নতুন রূপে রূপান্তরিত হয়ে সমাজকে আলোকিত করবে। মানুষে মানুষে সমপ্রীতি ও ভ্রাতৃত্ববোধ জাগিয়ে তোলে মানুষের মানবিকতাকে কেন্দ্র করে। মানুষের বৈশিষ্ট্য হলো তার সুন্দর মানসিকতাকে তৈরি করার মাধ্যমে। সভ্যতা বিকাশের সাথে সাথে মানুষের মানবিকতাও বিকশিত হয়েছে। আলোর পথে পরিচালিত হওয়ার এক অবিস্মরণীয় উদাহরণ মানুষের মানবিকতা। মানবিকতার বিশুদ্ধতা বদলে দিতে পারে পৃথিবীকে।

পূর্ববর্তী নিবন্ধরাস্তার পাশে অসংখ্য ময়লার স্তূপ, দেখার কেউ নেই!
পরবর্তী নিবন্ধহালদা নদীকে জাতীয় ঐতিহ্য ঘোষণা