আখ্যাতে যেন খুঁজে পেলাম
জীবন আনন্দ মুক্ত প্রাণের স্বাচ্ছন্দ্যতা,
তাই লিখে যায় জীবনের কথা,
হোক সে কবিতা কিংবা গদ্য,
তবুও সে ছাপা হয়–পুলকিত মনে
কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করি,
‘দৈনিক আজাদী’র কাছে।
এক পা দু পা করে এগিয়ে যাচ্ছে,
আজাদী, চট্টলার দৈনিক আজাদী,
ছয়টি দশক পেরিয়ে, আজ সাতের মাঝে
বুকে তার ধারণ করা,
যুগ যুগান্তরের জীবনের স্মৃতি কথা।
আছে সুখ দুঃখ আনন্দ বেদনার আঁকা ছবি
আছে মেহনতি মানুষের গল্প, কবিতা!
আছে ঝরে যাওয়া ক্ষণ জীবনের অমর কথামালা!
আছে এক চাটি থেকে প্রদীপের আলো
কী করে আলোকিত হলো চট্টলা,
সে মহতী সত্য গল্প কাহিনি।
আছে প্রেমিক প্রেমিকার মিলন বিরহের,
গল্প কাহিনি, মন ছুঁয়ে যাওয়া কবিতা।
শুধু থেকে আজ থক্
এ বিশ্বালয়ে যা কিছু ঘটে গেছে,
তার অঢেল নতি খুঁজে পেতে পার!
আমাদের প্রিয় আজাদীর বুকে,
যা আঁকা আছে সাদা কালো হরফে
যুগের সাক্ষী, কালের সাক্ষী সময়ের সাক্ষী
বীর চট্টলার দৈনিক আজাদী,
আমাদের প্রিয় আজাদী।













