স্নেহের পরশে কাটুক ভীতি/ ভালোবাসায় গড়ে উঠুক নীতি। হাতে হাত রেখে আলোর দেশে/ শৈশব হাসুক মুক্তাবেশে। শিশুরাই একটি জাতির ভবিষ্যৎ ও দেশ গড়ার কারিগর। একটি কুঁড়ি যেমন সঠিক পরিচর্যা পেলে সুন্দর ফুল হয়ে ফোটে, তেমনি প্রতিটি শিশুই উপযুক্ত পরিবেশ ও দিকনির্দেশনা পেলে বিকশিত হতে পারে। তাই শিশুদের অন্ধকারের দিকে ঠেলে না দিয়ে আলোর পথে এগিয়ে যেতে দেওয়া আমাদের নৈতিক দায়িত্ব।
আজকের শিশু যাতে আগামী দিনে একজন দায়িত্বশীল ও মানবিক মানুষ হিসেবে গড়ে উঠতে পারে, সে জন্য তাকে আলোর দিশা দেখানো প্রয়োজন। আলোর পথ বলতে কেবল পুঁথিগত বিদ্যা অর্জনকে বোঝায় না; এর মধ্যে রয়েছে নৈতিক শিক্ষা, মূল্যবোধ, পরমতসহিষ্ণুতা এবং সৃজনশীলতার বিকাশ। শিশুকে ভুল করার সুযোগ দিয়ে সেখান থেকে শেখার পরিবেশ তৈরি করে দিতে হবে, যাতে তার ভেতরের ভয় দূর হয় এবং আত্মবিশ্বাস বাড়ে।
ভীতিহীন ও ভালোবাসাময় পরিবেশে গড়ে ওঠা শিশুই ভবিষ্যতে একটি আলোকিত সমাজ গঠন করতে পারে। কুসংস্কার, বৈষম্য ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ার মানসিকতা ছোটবেলা থেকেই গড়ে তোলা জরুরি। আসুন, আমরা প্রতিটি শিশুর শৈশবকে আনন্দময় করি এবং তাদের আলোর পথে এগিয়ে যাওয়ার পথ সুগম করে দিই।
আমাদের একটু বৈষম্যহীনতায় শিশুটি এগিয়ে যেতে পারে। আবার, আমাদের একটু বৈষম্যতে হয়তো শিশুটি ঝরে পড়ার তালিকায় চলে যেতে পারে।









