বাংলাদেশ হিউম্যান রাইটস ফাউন্ডেশনের মহাসচিব অ্যাডভোকেট জিয়া হাবীব আহসান বলেছেন, ২০০৮ সালের সিডিএ প্রণীত ডিটেল এরিয়া প্লানে (ড্যাপ) সিআরবি কালচারাল হেরিটেজ হিসেবে চিহ্নিত। যা ২০০৯ সালের ২৫ জানুয়ারি সরকারি গেজেট আকারে প্রকাশিত হলে এর আইনগত ভিত্তি আরো শক্তিশালী হয়। ড্যাপের নির্দেশনা অনুযায়ী, বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে সিআরবির কোনো অংশ ব্যবহার করা যাবে না। এমনকি বহুতল ভবনও নির্মাণ করা যাবে না। ২০০৮ সালে সিডিএ যে ডিটেইল এরিয়া প্লান প্রণয়ন করে সেখানে সিআরবি এলাকাকে স্পষ্টভাবে কালচারাল হেরিটেজ জোন হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষা, সিআরবি এলাকায় বৃক্ষ নিধন, পাহাড় কাটার মতো কার্যক্রম কঠোরভাবে নিরুৎসাহিতকরণ, কারণ এটি শহরের বায়ুপ্রবাহ, তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ ও পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। গতকাল বুধবার সিআরবি সাত রাস্তার মোড়ে সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন। বেতার–টিভি উপস্থাপক দিলরুবা খানমের সঞ্চালনায় বীর মুক্তিযোদ্ধা ডা. মাহফুজুর রহমানের সভাপতিত্বে সিআরবি রক্ষা আন্দোলন সমাবেশে আরো বক্তব্য দেন, ডা. ইমরান বিন ইউনুস, ডা. আরমান জাইদ, অ্যাডভোকেট এ এইচ এম জসীমউদ্দীন, মানবাধিকার আইনবিদ কে এম শান্তনু চৌধুরী, অ্যাডভোকেট জাকির হোসেন, ট্যাবের শহর–সভাপতি জানে আলম, চিরন্তন চিনু, রনি ইসলাম, মানবাধিকার কর্মী নজরুল হোসেন, শফিকুল ইসলাম সেলিম, মোহাম্মদ আলমগীর, বনবিহারী চক্রবর্তী, জিয়াউল হক, মুহাম্মদ সোহাইলদ্দোজা, তাহমিদুল ইসলাম, হৃদয় বড়ুয়া, মো. আব্দুল আলী। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।










