চট্টগ্রাম একাডেমি আয়োজিত দীপালী ভট্টাচার্য স্মারক গ্রন্থ প্রকাশনা ও সুহৃদ সম্মাননা অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেছেন, সাহিত্য–সংস্কৃতির প্রসার ও অগ্রগতিতে চট্টগ্রাম একাডেমির ভূমিকা অনস্বীকার্য। তাঁরা বলেন, এ প্রতিষ্ঠান নিজস্ব স্থায়ী কার্যালয় থেকে লেখক–গবেষকদের এতদঞ্চলের সাহিত্য, সংস্কৃতি, ইতিহাস চর্চার সুযোগ করে দিয়েছে। লেখক–সাহিত্যিকরা সাহিত্যকর্মের মাধ্যমে এগিয়ে যাচ্ছেন, চট্টগ্রামকেও এগিয়ে নিচ্ছেন। ভাষা, সংস্কৃতি ও চিরায়ত সাহিত্যের জন্য লেখকদের আরও অনেক বেশি কাজ করতে হবে।
গত শনিবার চট্টগ্রাম একাডেমি ফয়েজ নুরনাহার মিলনায়তনে একাডেমির মহাপরিচালক জাহাঙ্গীর মিঞার সভাপতিত্বে ও প্রতিষ্ঠাতা সংগঠক রাশেদ রউফের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে লায়ন ভাইস গভর্নর মোহাম্মদ আবু বক্কর সিদ্দিকী এবং লেখক প্রীতিশ রঞ্জন বড়ুয়াকে সুহৃদ সম্মাননা প্রদান করা হয়। আলোচনায় অংশ নেন প্রফেসর রীতা দত্ত, প্রাবন্ধিক নেছার আহমদ, মো. ওসমান গনি, বিপুল বড়ুয়া, এস এম আবদুল আজিজ, রিটন কুমার বড়ুয়া, মুহাম্মদ নোমান লিটন, জসিম উদ্দিন খান, নাসের রহমান, মর্জিনা আখতার, নেভী বড়ুয়া, আয়েশা হক শিমু, আবুল কালাম বেলাল, আজিজ রাহমান, সুবীর পালিত, চন্দন কুমার চৌধুরী, আরিফ রায়হান, ইফতেখার মারুফ, গৌতম কানুনগো, এস এম মোখলেুসুর রহমান, লিটন কুমার চৌধুরী, সাবের হোসেন চৌধুরী, নাটু বিকাশ বড়ুয়া, পুলক চন্দ প্রমুখ। স্বাগত বক্তব্য রাখেন শিশুসাহিত্যিক অরুণ শীল। বক্তারা বলেন, দীপালী ভট্টাচার্য শিক্ষকতার সাথে সাথে সাহিত্যচর্চাও করতেন আন্তরিকতায়। স্বমহিমায় তিনি ছিলেন সমুজ্জ্বল। জীবনে চিত্ত এবং বিওের মেলবন্ধন ঘটাতে হবে। দীপালী ভট্টাচার্য স্মারক গ্রন্থের পাঠ উন্মোচন করা হয়। অনুভূতি ব্যক্ত করেন সম্মাননা প্রাপ্ত দুই গুণীজন। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।














