জুলাই আন্দোলনের সময়কার মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম ও ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেননের বিরুদ্ধে বিচার শুরুর আদেশ দিয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। একই দিন কামরুল ইসলামের চিকিৎসার নথিপত্রে প্রতারণা ও চরম অসঙ্গতির অভিযোগ তুলে তাকে হাসপাতাল থেকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ চেয়েছে প্রসিকিউশন। গতকাল বৃহস্পতিবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল–১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বেঞ্চ এ আদেশ দেয়।
শুনানি শেষে রাষ্ট্রপক্ষের প্রধান কৌঁসুলি মো. আমিনুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, কামরুল ইসলামের চিকিৎসাসংক্রান্ত নথিতে চরম অসঙ্গতি রয়েছে এবং ট্রাইব্যুনালের সঙ্গে ফ্রড বা প্রতারণা করে এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসার আদেশ নেওয়া হয়েছিল। আসামি বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (পিজি হাসপাতাল) থেকে এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে চেয়ে একটি আবেদন করেছিলেন এবং ট্রাইব্যুনাল অনুমতিও দিয়েছিল। কিন্তু এভারকেয়ার হাসপাতালে কোনো প্রিজন সেল নেই। এছাড়া আসামিপক্ষ যেসব মেডিকেল পেপার দাখিল করেছে, তাতে যথেষ্ট সন্দেহ সৃষ্টি হয়েছে। খবর বিডিনিউজের।
সন্দেহের কারণ ব্যাখ্যা করে প্রধান কৌঁসুলি বলেন, আসামি ২০২৪ সালের ১৮ নভেম্বর থেকে জেলহাজতে রয়েছেন। অথচ আসামিপক্ষ চলতি বছরের ১৫ ফেব্রুয়ারি একটি কেস সামারি দাখিল করেছে। জেলে থাকা অবস্থায় তিনি বাইরে গিয়ে কীভাবে ডাক্তারের কাছে গেলেন? এছাড়া ২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি আরেকটি স্বাস্থ্য প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়েছে, যা সিঙ্গাপুর থেকে আনা বলে দাবি করা হয়। জেলহাজতে থাকা অবস্থায় এই মেডিকেল পেপারগুলো কী করে তৈরি হলো, তা আমাদের কাছে চরম সন্দেহজনক মনে হয়েছে।














