খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি জানান, বুদ্ধপূর্ণিমা উপলক্ষে খাগড়াছড়িতে মঙ্গল শোভাযাত্রা বের করা হয়। গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে সাসনা রাক্ষিতা ভিক্ষু সংঘের আয়োজনে কেন্দ্রীয় বৌদ্ধ বিহার থেকে এক শোভাযাত্রা শহরের গুরুত্বপূর্ণ ঘুরে বিহারে গিয়ে শেষ হয়। শোভাযাত্রায় বৌদ্ধ ভিক্ষু, দায়ক– দায়িকা সহ বিভিন্ন বয়সির নারী পুরুষ শিশু কিশোর অংশ নেয়। এ উপলক্ষে ভক্তরা মন্দিরে বিহারে বুদ্ধপূর্ণিমায় উপাসক–উপাসিকা ও পুণ্যার্থীরা ব্দ্ধুপূজা, পিন্ডদান, পঞ্চশীল প্রার্থনা, সংঘদান, অষ্টপরিস্কারদান, বুদ্ধ মূর্তিদান করে।
বান্দরবান : বান্দরবান প্রতিনিধি জানান, নানা আয়োজনে বান্দরবানে বৌদ্ধ সমপ্রদায়ের বুদ্ধ পূর্ণিমা পালিত হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার রাজগুরু বৌদ্ধ প্রাঙ্গন থেকে বের করা হয় মঙ্গল শোভযাত্রা। শোভাযাত্রাটি রাজার মাঠ প্রাঙ্গণ হয়ে শহরে গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলো প্রদক্ষিণ শেষে বোধিবৃক্ষতলে গিয়ে সমবেত হন । এসময় বান্দরবান বোমাং সার্কেল চীফ রাজা উচপ্রু চৌধুরী মারমা উপস্থিত ছিলেন। শোভাযাত্রা শেষে বোধিবৃক্ষমূলে সমাবেত হয়ে পঞ্চশীল, অষ্টশীল গ্রহণের মধ্য দিয়ে দেশ ও জাতির মঙ্গল কামনায় বিশেষ প্রার্থনা করা হয়। এসময় ধর্মদেশনা করেন রাজগুরু বৌদ্ধ বিহারের অধ্যক্ষ ড. উ সুবর্ণ লংঙ্কারা মহাথেরো। ধর্মদেশনা শেষে রাজগুরু বৌদ্ধ বিহার, উজানী পাড়া বৌদ্ধ বিহার, রামজাদী , স্বর্ণ মন্দির বিহারে উপাসকরা বিহারে সমবেত হয়ে পুণ্যলাভের জন্য বোধিবৃক্ষমূলে চন্দন জল ঢালানো হয়।
মহামানব গৌতম বুদ্ধের জন্ম, বুদ্ধত্ব লাভ ও মহা পরিনির্বাণসহ ত্রিস্মৃতির বিচরিত লাভ হওয়াই প্রতি বছরই বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীরা বৈশাখ মাসের পুর্ণিমা তিথিকে বৌদ্ধ পূর্ণিমা হিসাবে পালন করে আসছেন। বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী শৈখ্যাইনু ও উমেসিং মারমা বলেন, গৌতম বুদ্ধ ত্রি–স্মৃতি বিজরিত বলে এই দিনটি আমাদের কাছে অন্যতম পুর্নিমা দিন। এদিকে রাজগুরু বৌদ্ধ বিহারের ভিক্ষু নাইন্দাছাড়া বলেন, এই পবিত্র তিথিতে বিহারে বিহারে ধর্ম দেশনা, প্রদীপ পূজা, হাজারবাতি উৎসর্গ ও দেশ ও জাতির সমৃদ্ধি এবং বিশ্বশান্তি কামনার পাশাপাশি ধর্মদেশনা দিয়ে দেশবাসী ও সকল প্রাণীর মঙ্গল কামনায় প্রার্থনা করা হয়।













