দেশের বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকগুলোতে চাকরিতে যোগদানের শুরুতে চিকিৎসকদের জন্য একটি নির্দিষ্ট বেতনকাঠামোর সুপারিশ করেছে এ সংক্রান্ত সরকারি কমিটি। ‘এন্ট্রি লেভেল’ বা প্রারম্ভিক পর্যায়ের চিকিৎসকদের জন্য সরকারি চিকিৎসকদের মূল বেতনের অন্তত ৯০ শতাংশ, সপ্তাহে ৪৮ ঘণ্টা কর্মঘণ্টা এবং বছরে তিনটি উৎসব ভাতার সুপারিশ করা হয়েছে এই খসড়ায়। খবর বিডিনিউজের। বেসরকারি চিকিৎসকদের জন্য ‘সম্মানজনক’ বেতনকাঠামোর খসড়া তৈরি করতে গঠিত সাত সদস্যের এই কমিটির আহ্বায়ক ছিলেন স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাজমুল হোসেন। সদস্যসচিব ছিলেন একই অধিদপ্তরের মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা বিভাগের পরিচালক ডা. মাছুদুর রহমান। কমিটিতে দুজন যুগ্ম সচিবও সদস্য হিসেবে ছিলেন। কমিটির সুপারিশে বলা হয়েছে, নিয়মিত অথবা পূর্ণকালীন মেডিকেল অফিসার হিসেবে যোগদানকারী একজন চিকিৎসক ২০১৫ সালের জাতীয় বেতনকাঠামোর নবম গ্রেডের সর্বনিম্ন মূল বেতনের ৯০ শতাংশ পাবেন। ভবিষ্যতে নতুন পে–স্কেল ঘোষিত হলে সে অনুযায়ী বেতন সমন্বয় হবে। বাড়িভাড়া হিসেবে ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকার প্রতিষ্ঠানে কর্মরতরা মূল বেতনের ৫৫ শতাংশ, বিভাগীয় পর্যায়ের সিটি করপোরেশন এলাকায় ৫০ শতাংশ এবং অন্যান্য স্থানের ক্ষেত্রে ৪৫ শতাংশ হারে ভাতা পাবেন। এছাড়া চিকিৎসা ভাতা হিসেবে থাকছে ১ হাজার টাকা। চাকরিকাল এক বছর পূর্ণ হলে ৫ শতাংশ হারে বার্ষিক ইনক্রিমেন্টের পাশাপাশি বছরে তিনটি উৎসব ভাতা পাবেন চিকিৎসকরা। পূর্ণকালীন অস্থায়ী মেডিকেল অফিসারদের জন্য মূল বেতন, বাড়িভাড়া ও চিকিৎসা ভাতাসহ সাকুল্যে বেতন ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকায় ৩৫ হাজার টাকা, জেলা শহরে ৩৩ হাজার টাকা এবং উপজেলা পর্যায়ে সর্বনিম্ন ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণের সুপারিশ করা হয়েছে। উৎসব ভাতা হিসেবে তারা মূল বেতনের দুই–তৃতীয়াংশ পাবেন। খণ্ডকালীন চিকিৎসকদের ক্ষেত্রে রোস্টার অনুযায়ী দৈনিক আট ঘণ্টা কাজের কথা বলা হয়েছে। এক্ষেত্রে দিনের পালায় ১ হাজার ২৫০ টাকা এবং রাতের পালায় ১ হাজার ৫০০ টাকা পারিশ্রমিক দিতে হবে।












