চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) শাহজালাল হলে ছাদের পলেস্তারার একটি বড় টুকরা খসে পড়েছে। এ ঘটনায় অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচেছেন এক আবাসিক শিক্ষার্থী। গতকাল মঙ্গলবার দুপুর দেড়টার দিকে হলের মূল ফটকের সামনে এ ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী মোহাম্মদ রায়হান অ্যাকাউন্টিং বিভাগের ২০২১–২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। তিনি বলেন, আর এক–দুই কদম সামনে এগোলেই হয়তো বড় দুর্ঘটনা ঘটত। আমি এখনো ট্রমাটাইজড অবস্থায় আছি। খবর বাংলানিউজের।
ঘটনার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে শাহজালাল হল ছাত্র সংসদের সহ–সভাপতি (ভিপি) আলাউদ্দীন সন্দ্বীপী লেখেন, মাত্র এক সেকেন্ডের ব্যবধানে একটি বড় দুর্ঘটনা এড়ানো গেছে। রায়হান হলের মূল ভবনের গেট দিয়ে বের হওয়ার সময় তার এক কদম সামনে ছাদের একটি বড় পলেস্তারা খসে পড়ে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, কয়েক মাস আগে শিক্ষার্থী মিসবাহর ঘাড়ে পলেস্তারা পড়েছিল এবং ৩৩৫ নম্বর কক্ষের সামনেও ছাদের আস্তরণ খসে পড়ে বালতি ফেটে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে।
বিগত দেড় বছর ধরে শাহজালাল হলের ফিটনেস টেস্টের কথা শুনে আসছি, কিন্তু কোনো অগ্রগতি নেই। আমরা একাধিকবার দাবি জানিয়েছি। সম্ভবত আমাদের কারও মৃত্যু না হলে প্রশাসনের ঘুম ভাঙবে না। আজ যদি বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটত, এর দায়ভার কে নিত?
হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. ফুয়াদ হোসেন জানান, ভবনের বর্তমান অবস্থা নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে আগেই রিপোর্ট দেওয়া হয়েছে। ভবনটি ব্যবহার উপযোগী কি না তা মূল্যায়নের জন্য একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে এবং চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়কে (চুয়েট) বিল্ডিং ফিটনেস অ্যাসেসমেন্টের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। বাজেট অনুমোদনের পর মূল্যায়ন কার্যক্রম শুরু হবে বলে তিনি জানান।









