মানুষ যখন মৃত্যুকে আহ্বান করে, তখন তার চারপাশের সব কিছুই অসহ্য হয়ে ওঠে। সব মানে সব– ছোট ছোট কষ্টগুলো বিশাল পাথরের পাহাড় বনে যায়। হৃদয় শূন্য হয়ে পড়ে, ভালোবাসাহীন ঘুটঘুটে অন্ধকার বিরাজ করে। তখনই সে হয়ে পড়ে অসহায়, অস্তিত্বহীন। নিজেকে পুরো জগৎ থেকে আলাদা করে নেয়। জীবনের কোন অর্থ খুঁজে পায়না। তখন সে আত্মহননের শপথ নেয়। মনের কোণে ভীষণ যুদ্ধ শুরু হয়। বাঁচা মরার লড়াই। একটুকরো ভালোবাসা, মমতা, আদর হয়ে পড়ে তার বাঁচার একমাত্র আশা। হৃদয়ের সকল দরজা যখন বন্ধ হয়ে যায়, তখন এতটুকু আশা তাকে ফিরিয়ে নিয়ে আসে নিজের অস্তিত্বে। ভোরের সূর্যের আলো, গাছের নির্মল ফুল, শিশুদের হাসি, বাবা মায়ের মুখের স্নিগ্ধতা, বিধাতার সৃষ্ট প্রকৃতি, হৃদয় শান্ত করা গান, সৃষ্টিকর্তার গুণগান হয়ে উঠতে পারে তার বাঁচার একমাত্র অবলম্বন। বাঁচতে চাওয়া অপরাধ নয়, বাঁচতে না দেওয়াই অপরাধ। আমরা দিন দিন কাউকে বাঁচতে না দেওয়ার প্রচেষ্টায়, নিজেকে জড়িয়ে নিচ্ছি। সুন্দর রাখতে ক্ষতি কী! লোভ, হিংসা, আধিপত্য এগুলোই কি সব! সৃষ্টিকর্তা যা ভাগ্যে লিখেছেন, তার একচুলও এদিক ওদিক হবে না! তবে কেন এতো অসুন্দর!












