লালদীঘি পাড়স্থ চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ সদর দপ্তরে গতকাল মঙ্গলবার সিএমপি কমিশনার হাসান মো. শওকত আলী এবং রিহ্যাব চট্টগ্রাম রিজিওনাল কমিটির মধ্যে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
রিহ্যাব চট্টগ্রাম রিজিওনাল কমিটির নেতৃত্ব দেন রিহ্যাবের ভাইস প্রেসিডেন্ট ও রিজিওনাল কমিটির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মোরশেদুল হাসান। সভায় রিহ্যাবের ভাইস প্রেসিডেন্ট সিএমপি কমিশনারের কাছে রিহ্যাবের স্বার্থসংশ্লিষ্ট কয়েকটি বিষয় তুলে ধরেন। সভায় তিনি রিহ্যাব সদস্য, ভূমি মালিক ও ক্রেতার সাথে সৃষ্ট মতবিরোধ বা অন্য কোনো সমস্যা সমাধানের জন্য রিহ্যাব এবং পুলিশের সমন্বয়ে একটি যৌথ কমিটি গঠনের প্রস্তাব করেন। এ বিষয়ে কোনো মতবিরোধ সৃষ্টি হলে থানায় অভিযোগ গ্রহণের আগে রিহ্যাবের মেডিয়েশন অ্যান্ড কাস্টমার কেয়ার কমিটি বরাবর প্রেরণের অনুরোধ করেন।
সভায় রিহ্যাবের পরিচালক ও চট্টগ্রাম রিজিওনাল কমিটির কো–চেয়ারম্যান–১ সারিস্ত বিনতে নুর বলেন, চট্টগ্রামে বর্তমানে রিহ্যাব সদস্য বহির্ভূত অনেক ডেভেলপার প্রতিষ্ঠান রয়েছে এবং ব্যক্তি পর্যায়েও অনেকে শেয়ার বিল্ডিং তৈরি করে রিয়েল এস্টেট ব্যবসা করছে। তিনি সিএমপি ও রিহ্যাবের সমন্বয়ে যৌথ মনিটরিং সেল গঠনের আহ্বান জানান।
সভায় রিহ্যাবের পরিচালক ও চট্টগ্রাম রিজিওনাল কমিটির কো–চেয়ারম্যান–২ এ এস এম আবদুল গাফফার মিয়াজী বলেন, প্রকল্পের কাজ করতে গিয়ে অনেক সময় ভূমি মালিক, প্রভাবশালী ব্যক্তি কর্তৃক অনেক হয়রানির শিকার হতে হয়। মতবিনিময় সভায় সিএমপি কমিশনার হাসান মো. শওকত আলী বলেন, দেশের আবাসন সংকট সমাধানে রিহ্যাবের অবদান এবং সামাজিক কর্মকাণ্ডের প্রশংসা করেন। এ সময় রিহ্যাব সদস্যদের যেকোন সমস্যা অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সমাধানের জন্য প্রতিটি থানায় প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন এবং রিহ্যাব সদস্যদের সমস্যাগুলো সমাধানের জন্য সিএমপির পক্ষ থেকে একজন কর্মকর্তাকে দায়িত্ব প্রদানের নির্দেশনা দেন। এ সময় তিনি আইন মেনে যথা সময়ে ভবন নির্মাণ করার বিষয়ে রিহ্যাব প্রতিনিধিদের প্রতি আহ্বান জানান।
সভায় উপস্থিত ছিলেন ডিসি (সদর) অতিরিক্ত ডিআইজি পদে পদোন্নতি প্রাপ্ত মো. ফেরদৌস আলী চৌধুরী, এবং রিহ্যাব চট্টগ্রাম রিজিওনাল কমিটির সদস্য হৃষিকেশ চৌধুরী, সৈয়দ ইরফানুল আলম, নুর মোহাম্মদ, আশীষ রায় চৌধুরী। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।











