করের আওতা বাড়াতে সরকার ব্যাংক হিসাব খোলার জন্য ট্যাক্সপেয়ার আইডেন্টিফিকেশন নম্বর (টিআইএন) বাধ্যতামূলক করল। এক্ষেত্রে শিক্ষার্থী, সরকারি ভাতাভোগী এবং গেজেটের মাধ্যমে কর অব্যাহতি পাওয়া ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান এ বাধ্যবাধকতার আওতায় পড়বে না। গতকাল বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বাজেট বক্তৃতায় এ প্রস্তাব করেন। খবর বিডিনিউজের।
তিনি বলেন, স্টুডেন্ট একাউন্ট, নো–ফ্রিলস একাউন্ট ও বোর্ড কর্তৃক গেজেট দ্বারা টিআইএন গ্রহণের বাধ্যবাধকতা হতে অব্যাহতিপ্রাপ্ত ব্যক্তি ব্যতীত, অন্য যে কোনো ব্যক্তি, ব্যাংক হিসাব খোলার সময় টিআইএন সনদ দাখিল করার বিধানের প্রস্তাব করছি। যখন ক্যাশলেস সোসাইটি গড়ার কথা বা ডিজিটালাইজেশন করার কথা বলা হচ্ছে তখন এ সিদ্ধান্তের ফলে বড় অংশের মানুষ ব্যাংকিং সেবার বাইরে চলে যাওয়ার শঙ্কাও থাকছে। ঢাকা বা বড় শহরের ক্ষেত্রে কর্মকর্তারা নিজ থেকে চেয়ে নিত বা কখনও প্রয়োজনে টিআইএন খুলে ফেলার প্রবণতা ছিল। যা দেখা যায় পরবর্তীতে টিআইএন খুলতে গেলে যে তার নম্বরে আগেই খোলা রয়েছে।
ব্যাংক কর্মকর্তারা এ কাজ করতেন কারণ কোনো কোনো ক্ষেত্রে ঋণ নেওয়ার সময় রিটার্ন দাখিলের প্রমাণ দেখানোর বাধ্যবাধকতা ছিল তবে হিসাব খুলতেই লাগবে এমন ছিল না।
এদিকে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড–এনবিআর ব্যাংকের তথ্যের সঙ্গে সরাসরি সংযুক্ত (ইন্টিগ্রেটেড) হওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে। শুধু ব্যাংক নয়, জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি), ইউটিলিটি সেবা, সাব–রেজিস্ট্রি অফিসসহ বিভিন্ন সংস্থার তথ্যভান্ডারের সঙ্গেও অনলাইনভিত্তিক সংযুক্তি স্থাপনের কথা বলা হয়েছে বাজেটে।
অর্থমন্ত্রী বলেন, সেন্ট্রাল ডাটা ইন্টিগ্রেশনের মাধ্যমে এনবিআরের তথ্যভাণ্ডারকে জাতীয় পরিচয়পত্র, ব্যাংক, ইউটিলিটি সেবা, সাব–রেজিস্ট্রি অফিস এবং অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সংযুক্ত করে তথ্য আদান–প্রদানের ব্যবস্থা করা হবে।












