চৈতী হাওয়ায় ভাসতে ভাসতে নীল পাহাড়ের
বুকে নেমে এসেছিলো মেঘমায়া।
স্নিগ্ধ,শান্ত, মায়াবী মেঘমায়াকে গভীর আলিঙ্গনে
জড়িয়ে নিয়েছিলো নীল পাহাড়।
বুকের গভীরে কত শত স্বপ্নজালে বুনেছিলো জলের বাসর।
মেঘমায়া যখন কোকিলের গান শুনে লাবণ্যর মত
বিমোহিত হয়ে পাহাড়ের আঁকে বাঁকে তাকে খুঁজে ফিরছে
তখন চৈত্র বিকেল অমিত রায়ের মত তার
পিছু নিয়ে তপ্ত রোদের গন্ধ মাখা ঝাঁঝালো দেহটি
পাহাড়ের খাঁজে এলিয়ে দিয়েছিলো।
দুজনাতে দেখা হলো, কথা হলো, প্রেমও হলো
মনে হলো দেখা না হওয়াই ভালো ছিল।
চাইলেও মেঘ কখনো রৌদ্রকে কাছে পাবে না
একথা মেঘমায়া ঠিক বুঝে নিয়েছিলো।
চিলের ডানায় ভর করে সন্ধ্যা নেমে এলে
অভিমানে চৈতী হাওয়ায় পড়ে উল্টো টান।
থেমে যায় উদাসী বনের গান।
তবুও মেঘমায়া শোভনলালের মত স্থির,
গভীর পাহাড়কেই বেছে নিয়েছিলো।
তখন পাহাড়ের বুক চিরে নির্ঝরের স্বপ্ন রচিত হলে
বনফুল ও প্রজাপতি খুঁনসুটি করেছিলো।
এলো নতুন সকাল, নতুন দিন, বাজে বৈশাখী ঢাক,
পাখির ডানায়, ঘুড়ির বুকে নিমন্ত্রণের ডাক।








