নগরীর ৪১ ওয়ার্ডে ওএমএসের চালের বরাদ্দ বেড়ে দ্বিগুণ

আটার বরাদ্দ বেড়েছে দৈনিক সাড়ে ২০ টন

শুকলাল দাশ | মঙ্গলবার , ২৮ জুলাই, ২০২৬ at ৪:১৩ পূর্বাহ্ণ

চট্টগ্রাম মহানগরীর ৪১ ওয়ার্ডে ওএমএস (খোলা বাজারে খাদ্যশস্য বিক্রয় বা ওপেন মার্কেট সেল) এর বরাদ্দ দ্বিগুণ বাড়ানো হয়েছে। এতদিন চট্টগ্রাম মহানগরীর ৪১ ওয়ার্ডে ৪১ জন ডিলারকে প্রতিদিন ৪১ টন করে চাল ও আটা বরাদ্দ দেয়া হত সাধারণ জনগণ, বিশেষ করে নিম্ন আয়ের মানুষ ও দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জন্য। এখন চালের বরাদ্দ বাড়িয়ে দ্বিগুণ (৮২ টন) করা হয়েছে। একই সঙ্গে আটার বরাদ্দ বাড়িয়ে সাড়ে ৬১ টন করা হয়েছে।

চট্টগ্রাম জেলা খাদ্য অধিদপ্তর থেকে জানা গেছে, মহানগরীর ৪১ ওয়ার্ডে খাদ্য মন্ত্রণালয়ের তালিকাভুক্ত ৪১ জন ওএমএসএর ডিলার রয়েছে। এরমধ্যে ৩৫ জন নিজেদের স্থানীয় দোকানদার এবং ৬ জন ট্রাকে করে নিম্ন আয়ের দরিদ্র জনগোষ্ঠীর মাঝে ভর্তুকি মূল্যে ওএমএসএর চাল ও আটা বিক্রি করে থাকেন।

সাধারণ মানুষের জন্য চাল ও আটার বাজারদর নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য প্রতি কেজি চাল ৩০ টাকা এবং আটা ২৪ টাকা (খোলা) ও প্যাকেট ৫৫ টাকা (দুই কেজি) দরে বিক্রি করা হয়।

এ ব্যাপারে চট্টগ্রাম জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক শেখ রিয়াদ কামাল রনি আজাদীকে জানান, চট্টগ্রাম মহানগরীতে ওএমএসের বরাদ্দ বেড়েছে। তবে ডিলার বাড়েনি। আগে চট্টগ্রাম মহানগরীতে ৪১ ওয়ার্ডে প্রতিদিন ১ টন চাল ও ১ টন করে আটা দেয়া হতো। এখন একজন ডিলারকে ২ টন করে চাল এবং দেড় টন করে আটা দেয়া হচ্ছে। তিনি বলেন, বন্যার কারণে ওএমএসের বরাদ্দ বাড়ানো হয়েছে।

জানা গেছে, বরাদ্দ বাড়ায় আগের চেয়ে দ্বিগুণ ক্রেতা সরকারের ন্যায্যমূল্যে গুরুত্বপূর্ণ এই দুটি নিত্যপণ্য পাবেন। ওএমএসের ডিলাদের কাছ থেকে একজন সাধারণ ক্রেতা প্রতিদিন ৫ কেজি চাল এবং ২ কেজি করে আটা নিতে পারেন।

খাদ্য নিয়ন্ত্রকের দপ্তর থেকে জানা গেছে, বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের উচ্চমূল্যের চাপ সামলাতে হিমশিম খাওয়া স্বল্প আয়ের সাধারণ ক্রেতারা ওয়ার্ডভিত্তিক স্থানীয় ডিলারের দোকানে গিয়ে নির্ধারিত মূল্যে চাল ও আটা সংগ্রহ করতে পারবেন। ওএমএসের পাশাপাশি টিসিবির কার্ডধারীরও সরকারি ন্যায্যমূল্যের চাল, ডাল, তেল ও চিনি পেয়ে আসছেন। সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষের জন্য সারাদেশের মেট্রোপলিটন শহরগুলোতে সারা বছরব্যাপী ওএমএস কর্মসূচি চালু রাখা হয়।

জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক দপ্তরের সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ওএমএসের প্রতিদিনের বরাদ্দগুলো (চাল ও আটা) সঠিক ভাবে বিক্রি দেয়া হচ্ছে কিনা তা যাচাই করার জন্য সাম্প্রতিক সময়ে প্রতিটি ডিলারদের সাথে একজন করে খাদ্য অধিপ্তরের প্রতিনিধি দেয়া হয়েছে।

পূর্ববর্তী নিবন্ধপ্রবেশনের শর্ত ভঙ্গ করছেন এক-পঞ্চমাংশ
পরবর্তী নিবন্ধদুই মাসের মধ্যে কালুরঘাট সেতু মেরামত ও সংস্কারের আবেদন নিষ্পত্তি করার নির্দেশ