এই তীব্র গরমে ইতোমধ্যে সারাদেশের বিভিন্ন বিদ্যালয়ের বেশকিছু কোমলপ্রাণ শিক্ষার্থী অসুস্থ হওয়ার খবর বিভিন্ন মাধ্যমে দেখা গেলেও এখনো পর্যন্ত কর্তৃপক্ষের কোনও সুদৃষ্টি নেই এই বিষয়ে। এই তীব্র দাবদাহে যেখানে ঘরে থেকে পর্যাপ্ত পরিমাণে হাইড্রেটেড থেকেও অস্বস্তি আর অসুস্থতায় থাকছে মানুষ সেখানে এসব কোমলমতি বাচ্চাগুলো ক্লাসে বসে দীর্ঘক্ষণ ক্লাস করতে হচ্ছে! একে তো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এই দাবদাহ তার উপর মনুষ্য সৃষ্ট দুর্যোগ লোডশেডিং। এর মধ্যে আবার ‘মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা’ এর মতো শনিবারেও ক্লাস করতে হচ্ছে এই বাচ্চাদের! কীভাবে সুস্থ থাকবে আমাদের বাচ্চাগুলো? আর নিরীহ শিক্ষকদের কথা না হয় বাদই দিলাম। আমাদের কর্তাবাবুদের আদরের দুলাল–দুলালীরা নিশ্চয় সরকারি প্রাথমিকে কেউ পড়ে না। তাই আমাদের বাচ্চাদের এই অমানবিক কষ্ট উনাদের দৃষ্টিগোচর হচ্ছে না এখনো। এই তীব্র দাবদাহ এবং জ্বালানি সংকটের মুহূর্তে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দৈনিক সময়সূচি এগিয়ে এনে মর্নিং স্কুল করা অথবা গরমের তীব্রতা না কমা অবধি বিদ্যালয়গুলো বন্ধ রাখা এখন সময়ের দাবি। মনে রাখা দরকার রাষ্ট্রের একজন নাগরিক হিসেবে সুস্থতা এবং নিরাপত্তাই একজন বাচ্চার মৌলিক অগ্রাধিকার।












