কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ৮৫তম প্রয়াণ দিবস উপলক্ষে উচ্চারক আবৃত্তি কুঞ্জ আয়োজিত অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেছেন, রবীন্দ্রনাথ বাঙালির মনস্তত্ত্বকে তাঁর রচনায় যেভাবে বিশ্লেষণ ও উত্থাপন করেছেন, তা আর কেউ করেননি। তাই তিনি এখনো বাঙালির চিরকালীন চেতনার চিরঞ্জীব বাতিঘর হয়ে আছেন।
গত বুধবার সন্ধ্যায় জেলা শিল্পকলা একাডেমির আর্ট গ্যালারি হলে ‘শ্রাবণে রবীন্দ্রনাথ’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে আবৃত্তি, গান ও কথামালার মধ্য দিয়ে স্মরণ করা হয় রবীন্দ্রনাথকে। অনুষ্ঠানে উচ্চারক সভাপতি আবৃত্তিশিল্পী ও সাংবাদিক ফারুক তাহেরের সভাপতিত্বে অতিথি আলোচক ছিলেন লেখক ও সংগঠক সজল চৌধুরী এবং কলামিস্ট ও সংগঠক আকতার কামাল চৌধুরী। স্বাগত বক্তব্য রাখেন উচ্চারকের সহসভাপতি এএসএম এরফান। উচ্চারণ সদস্য তাফসিরুল ইসলাম ও বর্ণি দে পুতুলের সঞ্চালনায় রবীন্দ্র সংগীত পরিবেশন করেন শিল্পী মো. মোস্তফা কামাল, শিল্পী কান্তা দে, শিল্পী পাপিয়া দে, শিল্পী মৌটুসী আফরিন তিতলী ও তুলতুল চৌধুরী। একক আবৃত্তি করেন আমন্ত্রিত আবৃত্তিশিল্পী তৃষ্ণা ভট্টাচার্য্য, বনকুসুম বড়ুয়া, মিশু ভট্টাচার্য্য, সুমি বিশ্বাস, প্রণীতা দেব চৈতী, মিথিলা মল্লিক, নিহারিকা পাল, মনজুর আলম ও অর্পিতা ধর। উচ্চারক সদস্যদের মধ্যে একক আবৃত্তি করেন মৌসুমী চক্রবর্তী, শাহ হোসাইন, তারানা কবির, সাইয়ারা সালসাবিল, পাপড়ি দে, তিন্নি বৈদ্য, অনিরুদ্ধ বিশ্বাস, রাফিয়া জাহেদ, মোবাশ্বির মাহির ও আযফার আহিল। বৃন্দ আবৃত্তি ‘বর্ষার গান’ ও ‘ইস্টেশন’ পরিবেশন করেন উচ্চারক আবৃত্তি কুঞ্জ ও উচ্চারক শিশু কুঞ্জের শিল্পীরা।
অনুষ্ঠানে উচ্চারক সদস্য নৃত্যশিল্পী মৃত্তিকা বড়ুয়ার স্থায়ীভাবে ইউরোপযাত্রা ও এবারের এসএসসি পরীক্ষায় উচ্চারক শিশু কুঞ্জের সদস্য সাইয়ারা সালসাবিল, তাথৈ বড়ুয়া, বুশরা আলম, প্রিয়ন্তী বড়ুয়া, পড়শী বড়ুয়া, ইয়াকিন ও আংকিতা বড়ুয়ার কৃতিত্বপূর্ণ ফলাফলে সংবর্ধনা প্রদান করা হয়। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।











