পথ চলার ২৬ বছর– চট্টগ্রামে ২ দিনব্যাপী নৃত্যোৎসব ‘অঙ্গকাব্য’ ও ‘শেকড়ের ছন্দে’র দ্বিতীয় দিন গতকাল শনিবার অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘শেকড়ের ছন্দে’ নৃত্য পরিবেশনা। অতিথি ছিলেন প্রফেসর রীতা দত্ত, নাট্যজন সনজীব বড়ুয়া ও এবং নির্দেশক–অভিনেতা মুনীর হেলাল। দু’দিন ব্যাপী অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন প্রতিষ্ঠানের সাধারণ সম্পাদক চবি নাট্যকলা বিভাগের অধ্যাপক ড. কুন্তল বড়ুয়া। প্রথম দিনের আয়োজনে নৃত্যানুষ্ঠান তিন পর্বে বিভাজিত হয়ে পরিবেশিত হয়েছে। প্রথম পর্বে ছিল ওড়িশী নৃত্যানুষ্ঠান ‘অঙ্গকাব্য’। দ্বিতীয় পর্বে আজীবন সম্মাননা ও অতিথিদের আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। শিক্ষা ও গবেষণায় বিশেষ অবদানের জন্য আজীবন সম্মাননা প্রদান করা হয়েছে ঢাবির ইমেরিটাস অধ্যাপক প্রফেসর ড. সুকোমল বড়ুয়া। অতিথি ছিলেন ইউএসটিসির প্রাক্তন উপাচার্য প্রফেসর ডা. প্রভাত চন্দ্র বড়ুয়া, বিটার নির্বাহী পরিচালক নাট্যজন শিশির দত্ত। তৃতীয় পর্বে নজরুলের ১২৭ তম জন্য বার্ষিকী উপলক্ষে সনজীব বড়ুয়ার গ্রন্থনায় ‘জাগে বহিশিখা’ নৃত্যালেখ্য অনুষ্ঠিত হয়। প্রায় দুই শতাধিত শিশু শিল্পীদের নৃত্য পরিবেশনে মুখরিত হয় পুরো শিল্পকলা প্রাঙ্গণ। ভাবনা,নৃত্য নির্মিতি, পরিচালনায় ছিলেন প্রমা অবস্তী। সহযোগী নৃত্য পরিচালক ছিলেন, তুষি শর্মা, রিয়া বড়ুয়া, ময়ূখ সরকার, অর্জিতা সেন চৌধুরী, দিয়া দাশ গুপ্তা, মৈত্রী চক্রবর্তী, কান্তা দাশ, নিবিড় দাশগুপ্তা, আফসানা ইকবাল হিয়া, বৈশাখী বড়ুয়া ও অর্পিতা পাল। নেপথ্যে কণ্ঠে ছিলেন কঙ্কন দাশ, সঞ্চালনায় পার্থ প্রতীম মহাজন, মিউজিক সম্পাদনায় জয়ীতা দত্ত, শব্দ প্রক্ষেপণে সুমেধ বড়ুয়া ও প্রচার ও প্রচারণায় অভ্র বড়ুয়া। সহযোগিতায় জেলা শিল্পকলা একাডেমি, চট্টগ্রাম ও কথাসুন্দর নাট্যদল। উল্লেখ্য, দুই দিনব্যাপী আয়োজনটি উৎসর্গ করা হয়েছে ওড়িশী নৃত্যের পথিকৃৎ পদ্মবিভূষণ গুরু কেলুচরণ মহাপাত্রের শততম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।












