বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে কিছু নাম বারবার উচ্চারিত হয়, তাদের মধ্যে অন্যতম জিয়াউর রহমান। তাঁকে ঘিরে যেমন গভীর শ্রদ্ধা ও আবেগ রয়েছে, তেমনি রয়েছে ইতিহাসের নানা অধ্যায়। তবে একটি বিষয় অনস্বীকার্য। চট্টগ্রাম শহর তাঁর জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের সাক্ষী। মুক্তিযুদ্ধের সূচনালগ্ন থেকেই তিনি চট্টগ্রামে সক্রিয়ভাবে সম্পৃক্ত ছিলেন। এখান থেকেই তাঁর ঐতিহাসিক ভূমিকার সূচনা, পরবর্তী সময়েও তাঁর স্মৃতি ছড়িয়ে থাকে নগরের বিভিন্ন স্থানে। ১৯৮১ সালে তাঁর শাহাদাতের পর চট্টগ্রামের সার্কিট হাউস ও রাঙ্গুনিয়ার প্রথম কবরস্থল ঐতিহাসিক স্মৃতি হিসেবে বিবেচিত হয়।
এই প্রেক্ষাপটে ‘শহীদ জিয়ার ঐতিহাসিক রোড ম্যাপ’ শুধু একটি পথনির্দেশ নয়, এটি এক ধরনের স্মৃতি–ভূগোল, যেখানে ইতিহাস, জনকথা, রাজনৈতিক বয়ান ও বাস্তব ঘটনার সমন্বয়ে গড়ে উঠেছে এক বহুমাত্রিক ধারাবাহিকতা।
চট্টগ্রাম নগরের দুই নম্বর গেইট এলাকায় বিপ্লব উদ্যানে তিনি পাকিস্তানি সামরিক শাসনের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করেন বলে প্রচলিত রয়েছে। পরবর্তীতে কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র এলাকায় তিনি স্বাধীনতার ঘোষণা পাঠ করেন, যা মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা হিসেবে বিবেচিত। চট্টগ্রাম সার্কিট হাউস, যা বর্তমানে জিয়া স্মৃতি জাদুঘর হিসেবে পরিচিত, ১৯৮১ সালে তাঁর নিহত হওয়ার স্থান। তাঁর মৃত্যুর পর গোপনে রাঙ্গুনিয়ায় তাঁকে সমাহিত করা হয় বলে বিভিন্ন সূত্রে উল্লেখ পাওয়া যায়।
পরবর্তীতে সেই স্থানকে জিয়া স্মৃতি কমপ্লেক্স হিসেবে গড়ে তোলা হয়। আওয়ামী লীগ সরকার যতবার ক্ষমতায় এসেছে, এ সব স্মৃতিচিহ্নের ওপর বৈষম্যমূলক আচরণ করে আসছে। ইতিহাসের পাতা থেকে সরাতে চেয়ে সব স্মৃতিচিহ্ন মুছে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। কোথাও নাম পরিবর্তন করা হয়েছে।
চট্টগ্রাম থেকেই জিয়ার প্রথম প্রতিরোধ : চট্টগ্রাম শহরের কেন্দ্রীয় অঞ্চল–বিশেষ করে দুই নম্বর গেইট ও আশপাশের এলাকা–জনস্মৃতিতে এক বিশেষ তাৎপর্য বহন করে। মুক্তিযুদ্ধের সূচনালগ্নে এই অঞ্চলকে কেন্দ্র করে প্রতিরোধের চেতনা সংগঠিত হতে শুরু করে বলে বহু বর্ণনায় উল্লেখ পাওয়া যায়। ১৯৭১ সালের মার্চের ২৬ তারিখে সেই উত্তাল দিনে জিয়াউর রহমান পাকিস্তানি সামরিক কর্তৃপক্ষের নির্দেশ অমান্য করে বিদ্রোহে অংশ নেন এবং নিজ উদ্যোগে মুক্তিযুদ্ধে সম্পৃক্ত হন। অনেকের মতে, এই সাহসী সিদ্ধান্ত তাঁর দেশপ্রেমের একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত–যদিও ইতিহাসবিদরা এ বিষয়ে বিভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরেছেন।
২ নম্বর গেইট নগরের ‘বিপ্লব উদ্যান’ ও শহরের প্রবেশপথকে ঘিরে পরবর্তীতে যে প্রতীকী স্থাপনা গড়ে ওঠে, তা এই প্রাথমিক প্রতিরোধ–স্মৃতিকে ধারণ করে রেখেছে বলে জনমনে বিশ্বাস রয়েছে। এটা চট্টগ্রাম সিটি কপোরেশন দেখভাল করে আসছে। আওয়ামী লীগ সরকার যতবার ক্ষমতায় আসছেন এটা উপর বৈষম্যমূলক আচরণ করে আসছে। ইতিহসের পাতা থেকে সরাতে চেয়েছেন সব স্মৃতি চিহ্ন। মুছে দিতে চেয়েছেন কালুরঘাট রেডিও, রেডিও স্টেশনে স্বাধীনতার ঘোষণা চট্টগ্রামের ঐতিহাসিক ধারার সবচেয়ে আলোচিত অধ্যায়টি জিয়াউর রহমানের সঙ্গে।
১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে এই বেতার কেন্দ্রটি হয়ে ওঠে যোগাযোগ ও প্রতিরোধের এক গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। এখান থেকেই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পক্ষে স্বাধীনতার ঘোষণা পাঠ করেন। কালুরঘাট আজও স্বাধীনতার প্রতীক হিসেবে বিবেচিত। কর্ণফুলী নদীর তীরবর্তী এই এলাকা শুধু একটি ভৌগোলিক স্থান নয়–এটি একটি মানসিক ও ঐতিহাসিক প্রতীক, যেখানে স্বাধীনতার প্রথম উচ্চারণ প্রতিধ্বনিত হয়েছিল বলে বিশ্বাস করা হয়।
২০০৬ সালে মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়ের অধীনে তাঁর নামানুসারে ‘শহীদ জিয়া স্মৃতি কমপ্লেক্স’ নামে একটি স্থাপনা গড়ে তোলা হয়, যা পরবর্তীতে ‘স্বাধীনতা কমপ্লেক্স’ নামে পরিচিতি পায়। দেশের বিভিন্ন ঐতিহাসিক ও দৃষ্টিনন্দন স্থাপত্যের আদলে নির্মিত এই থিম পার্কটি ‘মিনি বাংলাদেশ’ নামেও পরিচিত। এখানে বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ ভবন, আহসান মঞ্জিল, সুপ্রিম কোর্ট, কার্জন হল, লালবাগ কেল্লা, পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহার, জাতীয় স্মৃতিসৌধ, শহীদ মিনারসহ নানা ঐতিহাসিক স্থাপনার প্রতিরূপ, কৃত্রিম জলরাশি, বিভিন্ন ফোয়ারা, বসার স্টল ও শিশুদের জন্য একাধিক কিডস জোন রয়েছে।
সার্কিট হাউস থেকে জাদুঘর : চট্টগ্রামের সার্কিট হাউস এলাকা ইতিহাসের আরেক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় বহন করে। এখানেই অবস্থিত জিয়া স্মৃতি যাদুঘর। ১৯৮১ সালে এই স্থানে সংঘটিত হয় রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের হত্যাকাণ্ড। যা বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক গুরুত্বপূর্ণ মোড় হিসেবে বিবেচিত। পরবর্তীতে এই ভবনটিকে জাদুঘরে রূপান্তর করা হয়, যেখানে তাঁর জীবনের নানা দিক, রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড ও রাষ্ট্র পরিচালনার স্মারক সংরক্ষিত রয়েছে। এই স্থানটি তাই একদিকে শোকের স্মারক, অন্যদিকে ইতিহাসের একটি দলিল।
ইতিহাসের সাক্ষী রাঙ্গুনিয়া : রাঙ্গুনিয়ায় অবহেলায় ‘শহীদ জিয়া কমপ্লেক্স’, সাইনবোর্ডেই নেই নাম। ১৯৮১ সালে জিয়াউর রহমান নিহত হওয়ার পর বিদ্রোহী সেনারা তাঁর মরদেহ চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া এলাকায় গোপনে কবর দিয়েছিল। পরবর্তীতে তিন দিন পর সেই মরদেহ উদ্ধার করে ঢাকায় নিয়ে গিয়ে পুনরায় দাফন করা হয়। এই ঘটনাকে ঘিরে রাঙ্গুনিয়ার জিয়ানগর এলাকায় প্রথম দাফনস্থল হিসেবে চিহ্নিত জায়গাটির পাশে একটি স্মারক গড়ে ওঠে, যা ‘শহীদ জিয়া কমপ্লেক্স’ নামে পরিচিত। এই কমপ্লেক্সটি উদ্বোধন করেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া ১৯৯৫ সালের ৪ নভেম্বর। গেটের সাইনবোর্ড সমাজসেবা অধিদপ্তর এতিম ও দুস্থ শিশুদের বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, সমাজসেবা অধিদপ্তর উপ তত্ত্বাবধায়কের কার্যালয় লেখা রয়েছে। এর পাশে ছোট করে মাটির সাথে লাগোয়া বেগম খালেদা জিয়া শহীদ জিয়া কমপ্লেক্স উদ্বোধন ফলক রয়েছে। কিন্তু সাইন বোর্ডে কোথাও শহীদ জিয়া কমপ্লেক্স লেখা নেই।
জিয়ার প্রথম কবর রাঙ্গুনিয়ার জিয়ানগরে অবস্থিত জিয়া মাজার সংলগ্ন জিয়া কমপ্লেক্সটি ১৯৯৫ সালের ৪ নভেম্বর তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া উদ্বোধন করেন। প্রায় চার একর জায়গার ওপর প্রতিষ্ঠিত এই কমপ্লেক্সে চারটি দ্বিতল ভবন রয়েছে, যেখানে প্রশিক্ষণ হল, ডাইনিং রুম ও আবাসিক কক্ষের ব্যবস্থা আছে। কমপ্লেক্সের পশ্চিম পাশে মসজিদের সংলগ্ন পথ দিয়ে জিয়া স্মৃতি মাজারে যাওয়া যায়। এখানে সমাজকল্যাণ অধিদপ্তরের মাধ্যমে এতিম ও অসহায়দের কারিগরি প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। মোট ১০০ জন প্রশিক্ষণার্থী এখানে প্রশিক্ষণ নেয়, যার মধ্যে ৫০ জন আবাসিক ও ৫০ জন অনাবাসিক। অনাবাসিকরা যাতায়াত ভাতা পেয়ে থাকে। আবাসিক প্রশিক্ষণার্থীদের জন্য প্রতি মাসে জনপ্রতি ৫ হাজার টাকা বরাদ্দ রয়েছে, যার মধ্যে ৪ হাজার টাকা খাদ্য ব্যয় ও ১ হাজার টাকা অন্যান্য আনুষঙ্গিক খাতে ব্যয় করা হয়। ইলেকট্রনিক ওয়ারিং মেরামত ও কম্পিউটার প্রশিক্ষণ পরিচালিত হয়। একটি মসজিদ রয়েছে, যেখানে একজন ইমাম ও একজন মোয়াজ্জিন দায়িত্ব পালন করেন।
রাঙ্গুনিয়ার জিয়ানগরের একটি নীরব প্রান্তে দাঁড়িয়ে আছে এক ইতিহাসবাহী স্থাপনা ‘শহীদ জিয়া কমপ্লেক্স‘। ১৯৮১ সালে জিয়াউর রহমান নিহত হওয়ার পর তাঁর মরদেহ গোপনে এখানে দাফন করা হয়েছিল। যদিও তিন দিন পর সেই মরদেহ উদ্ধার করে ঢাকায় পুনরায় দাফন করা হয়, তবুও এই স্থানটি ইতিহাসের এক গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষী হয়ে আছে। সেই স্মৃতিকে ধারণ করেই পরে এখানে একটি কমপ্লেক্স নির্মাণ করা হয়, যা ১৯৯৫ সালের ৪ নভেম্বর উদ্বোধন করেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া।
প্রায় ৪ একর জায়গার ওপর গড়ে ওঠা এই কমপ্লেক্সে রয়েছে একাধিক ভবন, প্রশিক্ষণ হল, আবাসিক কক্ষ, ডাইনিং সুবিধা এবং একটি মসজিদ। পাশ দিয়েই চলে গেছে জিয়া স্মৃতি মাজারে যাওয়ার পথ। সব মিলিয়ে এটি শুধু একটি স্মৃতিচিহ্ন নয়, বরং একটি সামাজিক উদ্যোগের কেন্দ্রও বটে। তবে এত কিছুর পরও এই গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাটি যেন অবহেলার ছাপ বয়ে বেড়াচ্ছে। কমপ্লেক্সের প্রধান ফটকে কোথাও ‘শহীদ জিয়া কমপ্লেক্স‘ নামটি দৃশ্যমান নয়। সেখানে শুধুমাত্র ‘সমাজসেবা অধিদপ্তর এতিম ও দুস্থ শিশুদের বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র’ লেখা রয়েছে। পাশে ছোট করে একটি উদ্বোধন ফলক থাকলেও তা সহজে চোখে পড়ে না। ফলে নতুন কেউ এলে বুঝতেই পারে না এটি ঐতিহাসিক ‘শহীদ জিয়া কমপ্লেক্স‘।
স্মৃতির আঙিনায় মানবিক জিয়া : রাঙ্গুনিয়াতেই গড়ে ওঠা শহীদ জিয়া স্মৃতি কমপ্লেক্স একটি ভিন্ন মাত্রা যোগ করেছে এই ধারাবাহিকতায়। প্রায় চার একর জায়গাজুড়ে নির্মিত এই কমপ্লেক্স শুধু স্মৃতিচিহ্ন নয়, এটি একটি সামাজিক উন্নয়নকেন্দ্র। এখানে এতিম ও দুস্থ শিশুদের জন্য বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা রয়েছে–যেখানে ইলেকট্রিক্যাল কাজ, কম্পিউটার শিক্ষা ইত্যাদি শেখানো হয়।
চট্টগ্রামের চান্দগাঁও এলাকায় অবস্থিত স্বাধীনতা কমপ্লেক্স একটি অনন্য ইতিহাসভিত্তিক দর্শনীয় স্থান, যা ‘মিনি বাংলাদেশ’ নামে সুপরিচিত। বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক স্থাপনাগুলোর ক্ষুদ্র প্রতিরূপের মাধ্যমে দেশের ইতিহাস ও ঐতিহ্যকে নতুন প্রজন্মের কাছে সহজভাবে উপস্থাপন করে। ২০০৬ সালে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীনে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়। শুরুতে এর নাম ছিল শহীদ জিয়া স্মৃতি কমপ্লেক্স, যা পরে স্বাধীনতা কমপ্লেক্স নামে পরিচিতি লাভ করে।
এই কমপ্লেক্সটির অবস্থান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি কালুরঘাট রেডিও স্টেশনের পাশে অবস্থিত। ঐতিহাসিকভাবে পরিচিত যে, ১৯৭১ সালে এখান থেকেই জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা পাঠ করেছিলেন। এই ঐতিহাসিক স্মৃতিকে ধারণ করেই কমপ্লেক্সটি নির্মাণ করা হয়েছে। স্বাধীনতা কমপ্লেক্সের মূল আকর্ষণ হলো বাংলাদেশের বিখ্যাত স্থাপনাগুলোর ক্ষুদ্র মডেল। এখানে জাতীয় সংসদ ভবন, আহসান মঞ্জিল, লালবাগ কেল্লা, শহীদ মিনার, পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহার, কান্তজিউ মন্দির এবং ষাট গম্বুজ মসজিদের প্রতিরূপ দেখা যায়। এসব নিদর্শন দর্শনার্থীদের কাছে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের ইতিহাস ও স্থাপত্যকে একসঙ্গে তুলে ধরে।
কমপ্লেক্সটির আরেকটি উল্লেখযোগ্য আকর্ষণ হলো স্বাধীনতা টাওয়ার, যার উচ্চতা প্রায় ৭১ মিটার। এই টাওয়ারের উপরের ঘূর্ণায়মান রেস্তোরাঁ থেকে কর্ণফুলী নদী এবং চট্টগ্রাম শহরের মনোরম দৃশ্য উপভোগ করা যায়, যা ভ্রমণকে আরও আনন্দদায়ক করে তোলে। প্রায় ১৬.৩৭ একর জায়গাজুড়ে বিস্তৃত এই কমপ্লেক্সটি শুধু একটি বিনোদন কেন্দ্র নয়, বরং এটি একটি শিক্ষামূলক স্থান, যেখানে ইতিহাস, সংস্কৃতি ও জাতীয় চেতনার সমন্বয় ঘটেছে। তাই এটি দীর্ঘদিন ধরে চট্টগ্রামের অন্যতম জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত।
সব মিলিয়ে, চট্টগ্রামে শহীদ জিয়ার পদচিহ্ন একটি সরল ইতিহাস নয়; বরং এসব স্মৃতি রাজনীতির ধারক বাহক, দেশপ্রেম ও সময়ের ধারাবাহিকতায় গড়ে ওঠা এক জীবন্ত রোড ম্যাপ–যা অতীতকে ধারণ করে জনগণকে ভবিষ্যতের পথচলাকেও প্রভাবিত করবে।
লেখক: সভাপতি, চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব; আহ্বায়ক, বাংলাদেশ সম্মিলিত পেশাজীবী পরিষদ, চট্টগ্রাম।












