চট্টগ্রাম একাডেমি আয়োজিত অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেছেন, জীবিতকালে অধ্যাপক মোহাম্মদ খালেদ যেমন আমাদের আশ্রয় ছিলেন, তেমনি মৃত্যুর পরেও ভূমিকা পালন করছেন পথ প্রদর্শকের। তাঁর অপরিসীম কল্যাণ ও শুভবোধ আমাদের উদ্দীপ্ত করে, তাঁর সততা ও কর্মনিষ্ঠ মনোভাব আমাদের প্রতিনিয়ত উৎসাহিত করে এবং মানুষের প্রতি মমতা ও দেশ–জাতির প্রতি তাঁর দায়বদ্ধ থাকার অন্তর্গত প্রেরণা আমাদের অঙ্গীকারাবদ্ধ করে তোলে। তিনি আমাদের আলোকিত পুরুষ ও আদর্শবান ব্যক্তিত্ব। মৃত্যুর আগেও, মৃত্যুর পরেও। তাঁরা বলেন, অধ্যাপক মোহাম্মদ খালেদ ছিলেন অনন্যসাধারণ এক ব্যক্তিত্ব। কি সাংবাদিকতা, কি সমাজসেবা, কি শিক্ষা, কি রাজনীতি, কি সংস্কৃতি–প্রতিটি ক্ষেত্রে তিনি ছিলেন উজ্জ্বল জ্যোতিষ্ক। অধ্যাপক মোহাম্মদ খালেদ ছিলেন চট্টগ্রামের আইকন। বহুমাত্রিক প্রতিভার অধিকারী ছিলেন তিনি। স্বাধীন বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়ন কমিটির তিনি ছিলেন অন্যতম সদস্য। ছোটদের তিনি খুব ভালোবাসতেন। তাঁর নামে শিশুসাহিত্য পুরস্কার প্রবর্তন করে চট্টগ্রাম একাডেমি প্রশংসনীয় কাজ করেছে। গত শনিবার অধ্যাপক মোহাম্মদ খালেদ শিশুসাহিত্য পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে তাঁরা এ কথা বলেন। একাডেমির মহাপরিচালক জাহাঙ্গীর মিঞার সভাপতিত্বে ও বাচিকশিল্পী আয়েশা হক শিমুর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে ‘একলা মেয়ের মেঘলা দুপুর’ গ্রন্থের লেখক কথাসাহিত্যিক আকাশ আহমেদ ও ‘ মেঘ ভেজা দিন একলা বাড়ি’ গ্রন্থের লেখক কবি সুবর্ণা দাশ মুনমুনকে পুরস্কৃত করা হয়। পুরস্কার হিসেবে পেলেন নগদ অর্থ, ক্রেস্ট এবং সনদ। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন দৈনিক আজাদীর সহযোগী সম্পাদক রাশেদ রউফ, অধ্যক্ষ ড. আনোয়ারা আলম,কথাসাহিত্যিক দীপক বড়ুয়া, সাপ্তাহিক স্লোগান সম্পাদক মোহাম্মদ জহির, একাডেমির সাবেক মহাপরিচালক আমিনুর রশীদ কাদেরী, প্রাবন্ধিক নেছার আহমদ, শিশুসাহিত্যিক অরুণ শীল, গল্পকার জিন্নাহ চৌধুরী, অধ্যাপক মোহাম্মদ খালেদের পুত্র মোহাম্মদ জোবাইর, চট্টগ্রাম একাডেমীর পরিচালক রেজাউল করিম স্বপন, পরিচালক জসিম উদ্দীন খান, সাংবাদিক বিপুল বড়ুয়া, অমিত বড়ুয়া, অধ্যাপক কাঞ্চনা চক্রবর্তী কবি, কাশেম আলী রানা। ধন্যবাদজ্ঞাপন বক্তব্য রাখেন বেতার ব্যক্তিত্ব ফজল হোসেন। বক্তারা বলেন, শিশুদের কল্পনা ও ভাবনার জগৎটাও বিকশিত হচ্ছে না। এ জায়গায় শিশুসাহিত্যিকদের গভীরভাবে ভাবতে হবে। কল্পনার মাধ্যমে শিশুদের বিকাশে সৃষ্টিশীল চরিত্র নির্মাণ করতে হবে। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।












