আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় চট্টগ্রাম (আইআইইউসি)-এর উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আলী আজাদী বলেছেন, সঠিক পদ্ধতি ও কৌশল ছাড়া কোনো লক্ষ্য অর্জন সম্ভব নয়। তাই লক্ষ্য অর্জনের জন্য আমাদের যথাযথ পদ্ধতি ও প্রক্রিয়া নির্ধারণ করতে হবে। শিক্ষার্থীদের উপকারে না এলে পাঠদান সময়ের অপচয়। শিক্ষকদের পাঠদানকে শিক্ষার্থীদের কাছে আকর্ষণীয় করে তুলতে হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, টোটাল ফিজিক্যাল ইন্টারঅ্যাকশন (টিপিআই) পদ্ধতি অনুসরণ করা জরুরি। এই পদ্ধতিতে শিক্ষার্থীর চোখ, কান ও মন, এই তিনটি বিষয় একসঙ্গে সম্পৃক্ত থাকতে হবে। এর যেকোনো একটি অনুপস্থিত থাকলে পাঠদান কার্যকর হবে না। প্রযুক্তির উপর অতি নির্ভরতা মেধার ব্যবহারকে সীমিত করে দিচ্ছে। এ প্রসঙ্গে এআই, চ্যাট জিপিটি ও গুগলের অপব্যবহার হচ্ছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
গতকাল শনিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির কনফারেন্স রুমে সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের অর্থনীতি ও ব্যাংকিং বিভাগের উদ্যোগে ‘টিচিং অ্যান্ড লার্নিং ইউজিং মডার্ন টেকনোলজি’ শীর্ষক একাডেমিক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে আইআইইউসি’র উপাচার্য এসব কথা বলেন। আধুনিক শিক্ষায় প্রযুক্তির ব্যবহার ও শিক্ষণ–পদ্ধতির রূপান্তর নিয়ে এ আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে কী–নোট স্পিকার হিসেবে বক্তব্য দেন, ঢাবি বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব গভর্ন্যান্স অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট (বিআইজিএম)-এর রিসার্চ অ্যাসোসিয়েট মাহাদী আল মোবিন। অর্থনীতি ও ব্যাংকিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মো. নিজাম উদ্দীনের সঞ্চালনায় এসময় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সমাজ বিজ্ঞান অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. সিরাজুল ইসলাম, অর্থনীতি ও ব্যাংকিং বিভাগের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. মো. শরীফুল হক এবং প্রফেসর মনির আহমদ।
‘টিচিং অ্যান্ড লার্নিং ইউজিং মডার্ন টেকনোলজি’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আলী আজাদী আরও বলেন, আধুনিক যুগে শিক্ষার্থীদের আকৃষ্ট করার জন্য বিভিন্ন প্রযুক্তি ও ডিভাইস ব্যবহৃত হচ্ছে। গবেষণার ক্ষেত্রেও নতুন–নতুন পদ্ধতি ও প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ছে। এ ধরনের সেমিনার শিক্ষকদের নিজেদের দক্ষতা ও শিক্ষার্থীদের উন্নয়নে সহায়ক ভূমিকা রাখবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। মাহাদী আল মোবিন তার বক্তব্যে শিক্ষণ–পদ্ধতিতে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার, ডিজিটাল কনটেন্ট তৈরির কৌশল এবং শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণমূলক শিক্ষার গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি বলেন, প্রযুক্তির যথাযথ প্রয়োগের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা ও বিশ্লেষণী ক্ষমতা বাড়ানো সম্ভব। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।














