বাঙালির প্রাণের উৎসব পহেলা বৈশাখ। হাজার বছরের ঐতিহ্য আর সংস্কৃতির মেলবন্ধনে নতুন বছর ১৪৩৩–কে বরণ করে নিয়েছে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন হাসপাতাল লিমিটেড। বর্ণিল সাজ আর ঐতিহ্যবাহী গ্রামীণ আবহে দিনব্যাপী নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে উদযাপিত হয়েছে এই উৎসব। ১৪ এপ্রিল দুই পর্বের প্রোগ্রামের ১ম পর্ব সকাল ১০টায় হাসপাতালের রুফ টপে শুরু হয় এই আনন্দঘন আয়োজন। নতুন প্রজন্মের কাছে বাঙালির কৃষ্টি ও সংস্কৃতি তুলে ধরতেই এই বিশেষ উদ্যোগ নেয় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। উৎসবের আমেজে সেজেছে পুরো হাসপাতাল প্রাঙ্গণ। আয়োজনের মূল আকর্ষণ ছিল ঐতিহ্যবাহী বাঙালি খাবার। পান্তা–ইলিশের পাশাপাশি হরেক রকমের গ্রামীণ পিঠার সমারোহে মাতোয়ারা ছিলেন আগত অতিথিরা। সাথে ছিলেন মেহেদী, ফেইস পেইন্টিং, হরেকরকম বেলুন ও বায়োস্কোপ।
হাসপাতালের ডিজিএম আমান উল্লাহ আমানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ম্যানেজিং ডিরেক্টর ডা. এ কে এম ফজলুল হক। উদ্বোধনী বক্তব্য রাখেন অনুষ্ঠানের আহবায়ক হাসপাতালের টি কিউ এম ডিরেক্টর ডা. জান্নাতুন নাঈম হক। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চিটাগাং উইম্যান চেম্বারের পরিচালক অধ্যক্ষ আমেনা শাহীন, বোর্ড অফ ডিরেক্টরস ডা. শফিউল হাসান, বিশিষ্ট মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডা. এম এ হাসান, ডা. কাউসার আলম, ডা. মোহাম্মদ নুরুন্নবী। এছাড়াও হাসপাতালের বোর্ড অফ ডিরেক্টরস, বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, উর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা সপরিবারে এই উৎসবে অংশ নেন। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে কবিতা ও গানে ফুটে ওঠে গ্রাম বাংলার চিরায়ত রূপ। ২য় পর্বে ছিলেন ইসলামী সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও বাংলা নববর্ষ, ইসলামী দৃষ্টি কোণ শীর্ষক সেমিনার, চীফ কার্ডিয়াক সার্জন ডা. সারওয়ার কামাল এই পর্বে সভাপতিত্ব করেন। বিশিষ্ট কবি ও গীতিকার চৌধুরী গোলাম মাওলার সঞ্চালনায় উক্ত পর্বে প্রধান অতিথি ছিলেন ম্যানেজিং ডিরেক্টর ডা এ কে এম ফজলুল হক, আলোচক হিসাবে ছিলেন বিশিষ্ট ইসলামী চিন্তাবিদ ড. গিয়াসউদ্দিন তালুকদার, ড. বিএম মফিজুর রহমান আজাহারী, ড. মঈন উদ্দীন আল আজাহারী প্রমুখ। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।













