বাদামী ক্যানভাসে সবুজ আঁকি আমি,
মনের খাতায় লিখে রেখেছি
শত বছরের সব স্মৃতির বন্ধন।
তোমাদের সমুদ্র ধূসর হলে এসো
বৃষ্টি ঝরাবো ধারায়, পাতায়,
শোনাবো গান পাহাড়পুরের;
উড়ব পাখির ডানায়।
দ্বার খুলে দেব আমার জানালার,
দেখো, পৃথিবী কী সুন্দর নীলের ফোঁড়ে
আকাশ সেলাই করে! মুঠোভর্তি
হাওয়ায় পাতার ঝড় এনে দেব,
এনে দেব অক্সিজেনের সুগন্ধি
বোতল। আমায় রেখো তোমাদের
মাঝে। কেননা আমার মৃত্যুতে
মৃত্যু হবে তোমাদের। সবুজ পাতার মর্মর
(প্রতিদিন ভোরে সিআরবিতে যাওয়া আমি)
এলেবেলে উঠে যাওয়া সর্পের গতি
স্বর্গের সোপান, সারি সারি ঘুরানো পথে হাঁটি
যেখান থেকে শুরু সেখানেই শেষ।
পাখিদের ভিড়ে বাদামী দোলে;
ঝুলানো ধারায় কাঠবিড়ালির
উঠে যাওয়া ভোর, আগুন পোহানো শীত
নেমে এলে কুয়াশা ঝড়! চক্ষুজল
পাতার মর্মর রোদ চড়ে আসে,
ঝুরো ঝুরো পাতা ভাঙে পায়ের মাদলে,
ব্যায়ামের কাতার রোদের ঝাপটা।
বুনো ফুল ডেকে উঠে, পিছু ফিরে দেখি
আকাশে ছড়ানো সবুজ জানালায়
মন্ত্র পড়ে নিঝুম বালিকা।
প্রজাপতি বাগান, শিউলির সুবাস।
রুপোলী জরির ঝালর ঝুমঝুম
বৃষ্টি চাদর বনের গান!
নগরের জেলখানায় পুরে
পাতার ক্রন্দন শুনতে কি পাও?







