রক্তে তোমার বইছে প্রেমের ধারা
তবু তুমি কেন এতো নিঃসঙ্গ হলে পথিক?
কষ্টের একচ্ছত্র পথে হাঁটলে কেন দ্রোহের অনলে পুড়ে!
যে অর্গল খোলা ছিলো মায়ার অতন্দ্র পাহারায়, তাকে
রুদ্ধ করতে বারেবারে ছুঁয়ে দেখলে কেন বেদনার কুহক!
তবে কি তুমি জন্মের আগে প্রতিজ্ঞা বীজ পুঁতেছিলে
নাভি কোষে? হেমন্তের প্রতিক্ষাকে উপেক্ষা করে
ডানা ঝাপটাবে বলে রৌদ্রফাটা ওই মরণ আকাশে!
এতো সুধা নিয়ে প্রাণে বিন্ধ্য পর্বত হলে জলের অতলে ভেসে,
চারদিকে নাগিনীর বিষদাঁত শঙ্কায় নীরবতা কুড়ালে অভিমানের ঝুলিতে!
শুধু গভীর নিকটে এসে একবারও চাইলেনা রূপালি ঐশ্বর্যে মাখা জ্যোৎস্নার ফুল।
রক্তের প্রেম সুবর্ণ রেখা পার করলো দ্ব্যর্থহীন ক্ষমা
আর চাপা পড়া বাসনার নিদ্রিত ঝংকারে,
আকন্ঠ তৃষ্ণার সুলোলিত ঢেউ বয়ে গেলো মর্মরে!
সজনে দোলা শাখায় হিজল পাখির গান
শুনলে না মধ্য দুপুরের আলোছায়ায়,
রুদ্র তাপের দহন ছড়িয়ে দিলে হতাশার বিষণ্নতায়!







