কক্সবাজারের চকরিয়ার পূর্ব বড় ভেওলায় ছড়াখাল পোড়া মাতামুহুরীর চারটি কালভার্টের প্রবেশমুখের মাটি অপসারণ করে পানি চলাচল নির্বিঘ্ন করে দেওয়া হয় গত বুধবার বিকেলে।
এতদিন কালভার্টগুলোর মুখ বন্ধ করে রাখায় একদিকে ভয়াবহ জলাবদ্ধতা, তার ওপর কয়েকশ একর ফসলি জমির ধানক্ষেতের সেচ সমস্যায় পড়তে হয়। এ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে অন্তত পাঁচটি গ্রামের ভুক্তভোগী এলাকাবাসী ও কয়েকশ কৃষক পরিবার দুর্ভোগে পড়েন। তাদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জেপি দেওয়ান সরজমিন অকুস্থল পরিদর্শন করে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন। পূর্ব বড় ভেওলা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ফারহানা আফরিন মুন্না দৈনিক আজাদীকে বলেন, নিজেদের স্বার্থ বুঝে এলাকার এমন কিছু ব্যক্তি ছড়াখালের চারটি কালভার্টের পানি চলাচলের প্রবেশমুখ বন্ধ করে দিয়েছিল। এতে ইউনিয়নের পাঁচটি গ্রামের মানুষ জলাবদ্ধতার শিকার হওয়া ছাড়াও চার নম্বর ওয়ার্ডের চরপাড়া পূর্ব বিলের প্রায় দুইশ একর জমির রোপিত ফসল মিঠাপানির অভাববোধ করছিল। তাই ইউএনও স্যারের নির্দেশনা মোতাবেক কালভার্টগুলো দিয়ে পানি চলাচলের প্রবেশমুখের মাটি অপসারণ করে পানি চলাচল নির্বিঘ্ন করে দেওয়া হয় গত বুধবার বিকেলে।
ভুক্তভোগী চরপাড়া গ্রামের কৃষক কফিল উদ্দিন, সাইফুল ইসলামসহ বেশ কয়েকজন কৃষক জানান, স্থানীয় একাধিক ব্যক্তি নিজেদের স্বার্থে তাদের বাড়ির সামনের ছড়াখালের কালভার্টগুলোর পানি চলাচলের প্রবেশমুখে মাটি ফেলে পানির প্রবাহ বন্ধ করে দিয়েছিল।
চকরিয়া ইউএনও জেপি দেওয়ান দৈনিক আজাদীকে বলেন, পানি চলাচলের পথ বন্ধ করে রাখার অভিযোগ পেয়ে সরজমিন পরিদর্শন শেষে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানের মাধ্যমে পূর্ব বড় ভেওলা ইউনিয়নের পাঁচ গ্রামের জলাবদ্ধতা এবং অন্তত দুইশ একর জমির ফসলের সেচ সমস্যা দূর করা হয়েছে।













