আমেরিকার তৈরি একটি ৭ পয়েন্ট ৬৫ মডেলের পিস্তলসহ অস্ত্র, মাদক ও সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের পাঁচটি মামলার পলাতক আসামি সাইফুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ। নগর গোয়েন্দা পুলিশ (উত্তর) বায়েজিদ বোস্তামী থানাধীন আতুরার ডিপো এলাকায় চেকপোস্ট স্থাপন করে সিএনজি চালিত অটোটেক্সি তল্লাশি করে সাইফুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করে। সাইফুল ইসলাম নগরীর বায়েজিদ বোস্তামী থানাধীন চালিতাতলী, ওয়াজেদিয়া, কুইয়াইশ, অক্সিজেন, বালুছড়া, হামজারবাগ, মুরাদপুরসহ নগরীর বিভিন্ন স্থানে সন্ত্রাসী কর্মকান্ড চালিয়ে আসছিল বলে পুলিশ জানিয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, সিএমপি’র ডিবি (উত্তর) বিভাগের উপ পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ হাবিবুর রহমানের নির্দেশনায় গোয়েন্দা পুলিশের একটি টিম গত শনিবার আতুরার ডিপো কামারাবাদ মোড়স্থ পপুলার মেডিকেল হল নামের ফার্মেসির সামনে একটি অস্থায়ী চেকপোস্ট শুরু করে। চেকপোস্ট চলাকালে একটি যাত্রীবাহী ভাড়াকৃত সিএনজি অটোরিক্সা নম্বর–চট্টগ্রাম–থ–১৪–৫০২৭ কে পুলিশ থামার জন্য সিগন্যাল দেয়। সিএনজি টেক্সির যাত্রীদের তল্লাশিকালে একজন যাত্রী নেমে দৌঁড়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। পুলিশ ধাওয়া করে তাকে আটক করে এবং তাকে তল্লাশি করে আমেরিকার তৈরি একটি ৭.৬৫ মডেলের পিস্তল উদ্ধার করে।
গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তির নাম সাইফুল ইসলাম (৪৪)। তিনি নোয়াখালীর হাতিয়ার জাহাজমারা ইউনিয়নের চর হেয়ারের মোল্লা বাজার এলাকার মজিদ পন্ডিতের বাড়ির মৃত আলাউদ্দিন আহমেদ প্রকাশ আলী আহমেদের পুত্র। বর্তমানে তিনি নগরীর পাঁচলাইশের বিবিরহাট কাঁচাবাজারের দুই নম্বর গলির ফারুক মিয়ার টিনশেড ভাড়াঘরে বসবাস করে নগরজুড়ে সন্ত্রাসী কর্মকান্ড পরিচালনা করে। বিদেশী পিস্তলটি দিয়ে বিভিন্ন ব্যক্তিকে ভয়ভীতি দেখিয়ে নিয়মিত চাঁদা আদায় তার অন্যতম পেশা বলে পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদে জানিয়েছে। এই ব্যাপারে বায়েজিদ থানায় অস্ত্র আইনে একটি মামলা রুজু করা হয়েছে।
অভিযানে নের্তৃত্বদানকারী ডিবি ইন্সপেক্টর আফতাব হোসেন জানান, গ্রেপ্তারকৃত সাইফুল ইসলামের বিরুদ্ধে নগরীর পাঁচলাইশ, চকবাজার এবং কোতোয়ালী থানায় পাঁচটি মামলা রয়েছে। গতকাল বায়েজিদ বোস্তামী থানায় অস্ত্র আইনে নতুন করে একটি মামলা রেকর্ড করা হয় বলেও তিনি জানান।














