চিত্রনায়িকা পরীমনিকে ধর্ষণচেষ্টার মামলায় ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিন মাহমুদ ও তুহিন সিদ্দিকী অমিকে পাঁচ দিন ধরে জিজ্ঞাসাবাদ করবে পুলিশ। এর আগে মাদকের মামলায় এ দুজনকে সাত দিন পুলিশ হেফাজতে রেখে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছিল। এরপর পরীমনির মামলায় তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করতে আরও ১০ দিন হেফাজতে রাখতে আদালতে আবেদন করা হয় পুলিশের পক্ষ থেকে। গতকাল বুধবার তার শুনানি হয় ঢাকার জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম রাজিব হাসানের আদালতে। খবর বিডিনিউজের।
নাসির আদালতে আত্মপক্ষ সমর্থন করে বলেন, ওই ঘটনা সম্পূর্ণ মিথ্যা। তনি বলেন, আমার বয়স ৬৫ বছর। আমার হৃদপিণ্ডে সমস্যা রয়েছে। আমাকে প্রয়োজনে জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদের আদেশ দেন, রিমান্ডে দেবেন না। এক মামলায় আমি রিমান্ডে ছিলাম, আবার রিমান্ডে দিলে আমি মরে যাব। আসামি পক্ষে ঢাকা বারের সভাপতি আবদুল বাতেন, সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান ও আসাদুজ্জামান রশিদও রিমান্ডের বিরোধিতা করেন।
অন্যদিকে ঢাকা জেলা ও দায়রা জজ আদালতের নতুন পিপি হেমায়েত হোসেন খান রিমান্ডের পক্ষে বক্তব্য রাখেন। শুনানি শেষে বিচার পাঁচ দিন রিমান্ডের আদেশ দিয়ে পুলিশকে বলেন, সতর্কতার সঙ্গে জিজ্ঞাসাবাদ করতে হবে এবং এ সংক্রান্ত উচ্চ আদালতের নির্দেশনা মানতে হবে। নাসির ও অমি ঢাকা বোট ক্লাবের সদস্য ছিলেন। ওই ক্লাবে হেনস্তার শিকার হওয়ার অভিযোগ পরীমনি তোলার পর তাদের বহিষ্কার করা হয়।
পরীমনি সমপ্রতি অভিযোগ করেন, পূর্ব পরিচিত অমি গত ৮ জুন রাতে তাকে ‘পরিকল্পিতভাবে’ বোট ক্লাবে নিয়ে যান এবং সেখানে নাসির তাকে ‘ধর্ষণের চেষ্টা’ করেন। পরে সাভার থানায় পরীমনি মামলা করার পরপরই নাসির ও অমিকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তখন তাদের কাছে মাদকদ্রব্য পাওয়ার কথা জানিয়ে আলাদা মামলা করে পুলিশ।











