আইনজীবী সমিতির ফুলকোর্ট রেভারেন্স ও শোকসভা

ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় আইনজীবীদের ভূমিকা অনস্বীকার্য

আজাদী প্রতিবেদন | শুক্রবার , ২ অক্টোবর, ২০২৬ at ৬:২০ পূর্বাহ্ণ

চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির ৩১ জন সদস্য এবং যুগ্ম দায়রা জজ মো. আবদুর নুরের মৃত্যুতে ফুলকোর্ট রেভারেন্স অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল জেলা ও দায়রা জজ আদালতের এজলাসে জেলা ও দায়রা জজ কাজী আবদুল হান্নানের সভাপতিত্বে এ ফুলকোর্ট রেভারেন্স অনুষ্ঠিত হয়। সভায় উপস্থিত ছিলেন মহানগর দায়রা জজ মো. হাসানুল ইসলাম, চীফ মেট্টোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এ জি এম মনিরুল হাসান সরকার, চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. সোহাগ তালুকদার, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক, অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ, অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ, জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ও অন্যান্য বিচারকবৃন্দসহ বিপুল সংখ্যক আইনজীবী।

সভায় সদস্যদের জীবন বৃত্তান্ত পাঠ করেন সমিতির সভাপতি তারিক আহমদ, স্বাগত বক্তব্য রাখেন সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ মঈনুদ্দীন। আরো উপস্থিত ছিলেন সমিতির সিনিয়র সহসভাপতি সেলিমা খানম, সহসভাপতি নিলুফার ইয়াসমিন লাভলী, সহসাধারণ সমপাদক মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম, অর্থ সমপাদক আবুল মনছুর সিকদার, তৌহিদ হোছাইন সিকদার, বিলকিস আরা মিতু, মো. সরোয়ার হোসাইন (লাভলু), আলী আকবর, জসিম উদ্দিন হিমেল, মো. ইকবাল হোসেন, শেখ মো. ফয়সাল উদ্দিন, মোমেনুল হক, মোহাম্মদ হাসান, দিদারুল আলম টিপু এবং সমিতির সাবেক সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক। ফুলকোর্ট রেভারেন্স শেষে সমিতির ৩নং মিলনায়তনে শোক সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন সমিতির সভাপতি তারিক আহমদ, স্বাগত বক্তব্য রাখেন সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ মঈনুদ্দীন। সঞ্চালনায় ছিলেন সমিতির সহ সাধারণ সম্পাদক মো. নজরুল ইসলাম। সভায় মরহুম সদস্যদের কর্মময় জীবন সমপর্কে বক্তব্য রাখেন সমিতির পাঠাগার সম্পাদক তৌহিদ হোছাইন সিকদার, সাংস্কৃতিক সম্পাদক বিলকিস আরা মিতু, সদস্য মো. ইব্রাহীম পাটোয়ারী পলাশ, মো. শফিউল আজম বাবর, মো. নজরুল ইসলাম, আবদুস সবুর, সজীব উদ্দিন প্রমুখ। বক্তারা বলেন, সমিতির ৩১ জন সদস্যেরে মৃত্যুতে আমরা শোকাহত। যারা আমাদের সাথে আইন পেশায় নিয়োজিত ছিলেন, যাঁরা বেঁচে থাকতে সমাজ ও দেশের সেবায় স্ব স্ব ক্ষেত্রে অবদান রেখে আমাদের ছেড়ে চলে গিয়েছেন, তাঁদের গৌরবময় অবদান আমরা শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছি। ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় ও আইনের চর্চায় আইনজীবীদের ভূমিকা অনস্বীকার্য। আইনজীবীদের অনুপস্থিতিতে বিচার কার্যক্রম পরিপূর্ণভাবে সম্পাদন করা কোনভাবেই সম্ভব না। বিচার বিভাগকে সমুন্নত করার কাজে আইনজীবীরা ওৎপ্রোতভাবে জড়িত। রেভারেন্স শেষে চট্টগ্রামের সকল আদালতের কার্যক্রম বন্ধ রাখা হয়।

পূর্ববর্তী নিবন্ধপ্রবীণ নাগরিকদের অধিকার প্রতিষ্ঠার দাবি
পরবর্তী নিবন্ধলোহাগাড়ায় অবৈধভাবে তোলা বালু, সরঞ্জাম জব্দ