নগরীর বায়েজিদ বোস্তামী থানাধীন আরেফিন নগর এলাকা থেকে হত্যা ও নাশকতাসহ চারটি মামলার পলাতক আসামি ইমতিয়াজ সুলতান ইকরাম ও তার সহযোগী আবুল কালাম আজাদকে দুইটি বিদেশি পিস্তল ও ৫৬ রাউন্ড গুলিসহ গ্রেপ্তার করেছে র্যাব–৭। গত মঙ্গলবার তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
র্যাব জানিয়েছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব–৭ এর একটি দল নগরীর বায়েজিদ বোস্তামী থানাধীন আরেফিন নগর এলাকার একটি বহুতল ভবনে অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় মুরাদপুর এলাকা মোহাম্মদ ইসহাক মিয়ার ছেলে সন্ত্রাসী হিসেবে চিহ্নিত ইমতিয়াজ সুলতান ইকরাম প্রকাশ সুলতান ইকরাম (২৮) এবং তার সহযোগী বিবিরহাট এলাকার আবুল কালাম আজাদকে (৬২) গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের কাছ থেকে দুইটি বিদেশি পিস্তল ও ৫৬ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়েছে।
র্যাব জানায়, ইমতিয়াজ সুলতান ইকরাম চট্টগ্রামের অপরাধ জগতের পরিচিত মুখ। তিনি আলোচিত সন্ত্রাসী সরোয়ার বাবলার ঘনিষ্ঠ সহযোগী ছিলেন। গত বছরের ৫ নভেম্বর বায়েজিদ বোস্তামী এলাকায় এরশাদ উল্লাহর জনসংযোগকালে সশস্ত্র হামলায় সরোয়ার বাবলা নিহত হন। ইমতিয়াজ সুলতান ইকরাম ওই ঘটনার পর থেকে বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় বলে অভিযোগ রয়েছে।
র্যাব আরও জানায়, দীর্ঘ সময় মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থান করে তিনি বায়েজিদ বোস্তামী, অক্সিজেন ও মুরাদপুর এলাকার ব্যবসায়ীদের কাছে ইন্টারনেট কল ও বিদেশি নম্বর ব্যবহার করে মোটা অঙ্কের চাঁদা দাবি করতেন। এছাড়া একসময় ‘রিচ কিডস’ নামের একটি আলোচিত কিশোর গ্যাং পরিচালনার সঙ্গেও তার সংশ্লিষ্টতা ছিল বলে অভিযোগ রয়েছে। গ্রেপ্তার হওয়া আবুল কালাম আজাদ তার ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে চাঁদার টাকা উত্তোলন ও ব্যক্তিগত গাড়িচালকের দায়িত্ব পালন করতেন বলে জানায় র্যাব।
র্যাব জানায়, সিডিএমএস পর্যালোচনায় ইমতিয়াজ সুলতান ইকরামের বিরুদ্ধে চট্টগ্রাম জেলা ও মহানগরীর বিভিন্ন থানায় অস্ত্র, হত্যা, হত্যাচেষ্টা, নাশকতা ও চাঁদাবাজিসহ একাধিক মামলা রয়েছে। গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে বলেও র্যাব জানিয়েছে।












