কক্সবাজারের উখিয়ার লম্বাশিয়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পে গলায় ফাঁস লাগিয়ে এক রোহিঙ্গা কিশোরের মৃত্যু হয়েছে। নিহত হলো উখিয়ার লম্বাশিয়া রোহিঙ্গা ক্যাম্প-২/ইস্টের ব্লক-ডি/৮ এলাকার বাসিন্দা ফরিদ আলমের ছেলে আতাউর রহমান (১৫)।
শনিবার সকালে চট্টগ্রামের একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয় বলে উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মুজিবুর রহমান জানিয়েছেন। শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) বিকেলে উখিয়ার লম্বাশিয়া রোহিঙ্গা ক্যাম্প-২/ইস্ট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, ক্যাম্পে থাকা তাদের চায়ের দোকানে বাবার সঙ্গে কাজ করত আতাউর রহমান। শুক্রবার বিকেলে তার বাবা দোকানের বাইরে থাকাকালে আতাউর দোকানের ভেতরে ছিল। বিকেল সাড়ে চারটার দিকে তার ছোট ভাই দোকানের পেছনের কক্ষে গিয়ে তাকে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পায়।
পরে পরিবারের সদস্যরা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে প্রথমে এনজিও পরিচালিত বিডিআরসি হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়। কিন্তু সেখানে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র (আইসিইউ) না থাকায় তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়। পরবর্তীতে সেখানে আইসিইউ শয্যা না পাওয়ায় শনিবার ভোরে চট্টগ্রামের পাঁচলাইশ এলাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় সকাল সাড়ে ৮টার দিকে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
পরিবারের সদস্যদের ধারণা, পড়াশোনা নিয়ে মায়ের বকাঝকার কারণে অভিমান করে আতাউর রহমান গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করার চেষ্টা করে।
এ ব্যাপারে উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মুজিবুর রহমান বলেন গলায় ফাঁস লাগিয়ে এক রোহিঙ্গা কিশোর আত্মহত্যা করেন।














