একাত্তর ও চব্বিশের পরাজিত শক্তি আজ একই সুরে কথা বলছে

জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের অনুষ্ঠানে ভূমি প্রতিমন্ত্রী

আজাদী প্রতিবেদন | রবিবার , ৮ নভেম্বর, ২০২৬ at ৮:২৮ পূর্বাহ্ণ

একাত্তরের পরাজিত শক্তি এখনো বাংলাদেশকে নিয়ে নানা ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে বলে দাবি করেছেন ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন। তিনি বলেন, একাত্তর ও চব্বিশের পরাজিত শক্তি আজ একই সুরে কথা বলছে। জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়ে ক্ষমতায় আসার সক্ষমতা নেই বলেই তারা বিভিন্ন জায়গায় ঢুকে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির চেষ্টা করছে। কিন্তু দেশের মানুষ তাদের সঙ্গে নেই। বাংলাদেশের মানুষ এখন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং জাতীয়তাবাদী শক্তির সঙ্গে রয়েছে।

তিনি গতকাল শনিবার বিকেলে ঐতিহাসিক জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির উদ্যোগে আয়োজিত বর্ণাঢ্য র‌্যালিপূর্ব সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। কর্ণফুলী উপজেলা পরিষদ মাঠে অনুষ্ঠিত সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মোহাম্মদ ইদ্রিস মিয়া। সঞ্চালনা করেন সদস্য সচিব লায়ন হেলাল উদ্দীন। সমাবেশ শেষে একটি র‌্যালি বের হয় যা চট্টগ্রাম–কক্সবাজার মহাসড়কের বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করে মইজ্জ্যারটেক এলাকায় এসে শেষ হয়। এতে চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলার আওতাধীন সকল উপজেলা, পৌরসভা বিএনপি আলাদা আলাদাভাবে মিছিল সহকারে অংশগ্রহণ করে। পাশাপাশি ১১টি অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগেও আলাদা আলাদাভাবে মিছিল সহকারে হাজার হাজার নেতাকর্মী অংশগ্রহণ করে র‌্যালিতে।

বিএনপির কেন্দ্রীয় সহ–সাংগঠনিক সম্পাদক (চট্টগ্রাম বিভাগ) মীর হেলাল তার বক্তব্যে বলেন, গত ১৭ বছর যারা রাজনীতির নামে দেশে অরাজকতা সৃষ্টি করেছে এবং একদলীয় শাসনব্যবস্থা কায়েম করেছিল আজ তাদের রাজপথে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। অন্যদিকে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে। দীর্ঘদিন ধরে বিএনপি স্বমহিমায় টিকে থাকবে।

মীর হেলাল বিএনপির পরিচয় ব্যবহার করে যারা অন্য রাজনৈতিক শক্তির সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করে তাদের সতর্ক করে বলেন, যারা ইদানীং নিজেদের ক্ষমতা প্রদর্শনের জন্য দোসর ও গুপ্তদের সঙ্গে রাখছেন, তারা সাবধান হয়ে যান। বিএনপির নেতা–কর্মীরা নিজেদের পরিচয় দিয়েই গত ১৭ বছর রাজপথে থেকে স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে লড়াই–সংগ্রাম করেছে এবং স্বৈরাচারকে দেশছাড়া করেছে। যারা দোসরদের সঙ্গ দেবেন, আঁতাত করবেন কিংবা দেশবিরোধী শক্তির সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তুলবেন তাদের ব্যাপারে কোনো ছাড় বা আপস করা হবে না।

এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মিশকাতুল ইসলাম চৌধুরী পাপ্পা, আজিজুল হক, আসহাব উদ্দিন চৌধুরী, জামাল হোসেন, মুজিবুর রহমান, রেজাউল করিম নেচার, সাইফুদ্দীন সালাম মিঠু, সদস্য বদরুল খায়ের চৌধুরী, আমিনুর রহমান চৌধুরী, জহিরুল ইসলাম চৌধুরী আলমগীর, কামরুল ইসলাম হোসাইনী, জাহাঙ্গীর কবির, মাস্টার মোহাম্মদ লোকমান, শওকত আলম চৌধুরী, মাস্টার মো. রফিক, রাজীব জাফর চৌধুরী, সরওয়ার হোসেন মাসুদ, জাগির আহমেদ, আমিনুল ইসলাম, জসিম উদ্দিন, সালাহ উদ্দিন চৌধুরী সোহেল, শেফায়ত উল্লাহ চক্ষু, ফৌজুল কবির ফজলু, ইফতেখার হোসেন চৌধুরী ইফতু, জাবেদ মেহেদী হাসান সুজন, দিল মোহাম্মদ মনজু, এম মনছুর উদ্দিন, মোহাম্মদ ফারুক হোসেন, দেলোয়ার আজিম, শাহাদাত হোসেন সুমন, মোহাম্মদ শাহীনুর শাহীন, মোস্তফিজুর রহমান, দেলোয়ার হোসেন, মনজুর আলম তালুকদার, মো. আজগর, শফিকুল ইসলাম, রবিউল হোসেন রবি, জমির উদ্দিন মানিক, ডা. মহসিন খান তরুন, জসিম উদ্দিন, এস এম জাহেদ, জসিম উদ্দিন, আব্দুস সবুর, গাজী ফেরকান, ইসমাইল বিন মনির, শাখাওয়াত হোসেন মিশু, আনিসুর রহমান আনাস, মোফাচ্ছল হোসেন জুয়েল ও শফিউল আলম চৌধুরী।

পূর্ববর্তী নিবন্ধআগ্রাবাদ জাম্বুরী মাঠ ফিরল নতুন রূপে
পরবর্তী নিবন্ধকৌতুক কণিকা