সীতাকুণ্ডে সড়ক দুর্ঘটনায় ট্রাকের চালক ও সহকারী নিহত হয়েছেন। এছাড়া অপর একটি দুর্ঘটনায় নানি ও নাতনি আহত হয়েছেন। গতকাল শনিবার সকালে উপজেলার পন্থিছিলা ও দাসপাড়া এলাকায় এসব দুর্ঘটনা ঘটে। হাইওয়ে পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গতকাল সকাল সাড়ে ৬টার দিকে উপজেলার পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের পন্থিছিলা বড়ুয়া পাড়া এলাকায় চট্টগ্রামমুখী একটি কাভার্ডভ্যান হঠাৎ ব্রেক কষে। এ সময় পেছনে থাকা একটি ট্রাক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে কাভার্ডভ্যানটির পেছনে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে ট্রাকটির সামনের অংশ দুমড়ে–মুচড়ে যায় এবং চালক ও সহকারী কেবিনের ভেতরে আটকা পড়েন। খবর পেয়ে কুমিরা হাইওয়ে পুলিশ ও সীতাকুণ্ড ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা স্থানীয়দের সহায়তায় তাদের উদ্ধার করে সীতাকুণ্ড উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেঙে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক ট্রাকচালক মো. ছালেহ আহম্মেদ সেলিম (৪৬) ও তার সহকারী মো. সোহরাবকে (৩৫) মৃত ঘোষণা করেন। নিহত দুজনের বাড়ি রংপুরের মাহিগঞ্জ এলাকায়।
অন্যদিকে, গতকাল সকাল ৯টার দিকে পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের দাসপাড়া এলাকায় পৃথক দুর্ঘটনায় নানি ও নাতনি আহত হন। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নামার বাজার এলাকার বাসিন্দা ঝিনু রাণী দাস (৬০) তার ১২ বছর বয়সী নাতনি জয়ীতা শীলকে নিয়ে কোচিংয়ে যাওয়ার উদ্দেশ্যে মহাসড়কের পাশে একটি অটোরিকশায় উঠছিলেন। এ সময় চট্টগ্রামমুখী একটি কাভার্ডভ্যান তাদের চাপা দিয়ে চলে যায়। এতে দুজনই আহত হন। পরে স্থানীয় লোকজন ও পরিবারের সদস্যরা তাদের উদ্ধার করেন। ঝিনু রাণী দাসের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে চট্টগ্রাম নগরীর একটি হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে আইসিইউতে ভর্তি করা হয়।
কুমিরা হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির এসআই মো. জিয়াউদ্দিন জানান, পন্থিছিলা এলাকায় দুর্ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায়। সেখানে চিকিৎসক ট্রাকচালক ও সহকারীকে মৃত ঘোষণা করেন। দুর্ঘটনায় জড়িত ট্রাক ও কাভার্ডভ্যান জব্দ করা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। তবে দাসপাড়া এলাকার দুর্ঘটনার বিষয়ে খোঁজ নেওয়া হচ্ছে বলে জানান তিনি।








