১২তম বার্জার অ্যাওয়ার্ড ফর এক্সিলেন্স ইন আর্কিটেকচারের যাত্রা শুরু

| রবিবার , ৩০ আগস্ট, ২০২৬ at ১০:২৭ পূর্বাহ্ণ

বার্জার পেইন্টস বাংলাদেশ লিমিটেড (বিপিবিএল) ও ইনস্টিটিউট অব আর্কিটেক্টস বাংলাদেশ (আইএবি)-এর যৌথ পরিচালনায় আয়োজিত হতে যাচ্ছে স্থাপত্য শিল্পের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ সম্মাননা বার্জার অ্যাওয়ার্ড ফর এক্সিলেন্স ইন আর্কিটেকচার (বিএইএ) ২০২৬। এ উপলক্ষে গতকাল শনিবার ঢাকার আগারগাঁওয়ের আইএবি সেন্টারের বার্জার সেমিনার হলে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে এই আসরের সূচনা করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন আইএবির সভাপতি স্থপতি প্রফেসর ড. আবু সাঈদ এম. আহমেদ এবং বার্জার পেইন্টস বাংলাদেশ লিমিটেডের চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার ও ম্যানেজিং ডিরেক্টর মহসিন হাবিব চৌধুরী। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন আইএবির সহসভাপতি (জাতীয়) স্থপতি নওয়াজীশ মাহবুব, সহসভাপতি (আন্তর্জাতিক) স্থপতি মাহফুজুল হক জগলুল, সাধারণ সম্পাদক স্থপতি এম. মাসুদ উর রশিদসহ আইএবির অন্যান্য সদস্যবৃন্দ। বার্জার পেইন্টস বাংলাদেশ লিমিটেডের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠানটির চিফ বিজনেস অফিসার এ কে এম সাদেক নাওয়াজ, চিফ মার্কেটিং অফিসার সালাহউদ্দিন আহমেদসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ। অনুষ্ঠানে এবারের ১২তম আয়োজনের বিস্তারিত নিয়মাবলী ও জুরি বোর্ডের পরিচয় উপস্থাপন করেন অ্যাওয়ার্ড ডিরেক্টর স্থপতি মৌসুমী আহমেদ। ডেপুটি অ্যাওয়ার্ড ডিরেক্টর হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন স্থপতি মো. মুহতাসিম গালিব এবং স্থপতি এস এম এহসান উল হক স্বপ্নীল। এবারের আসরে জমা পড়া প্রকল্প মূল্যায়নে জুরি বোর্ডে দায়িত্ব পালন করছেন স্থপতি নাহাস আহমেদ খলিল, স্থপতি মোহাম্মদ শোয়েব ভূঁইয়া, স্থপতি কাজী ফিদা ইসলাম, স্থপতি নুয়েন হা, ভিয়েতনাম এবং বিশিষ্ট চিত্রগ্রাহক ও ভিজ্যুয়াল আর্টিস্ট রাশেদ জামান। এবারের প্রতিযোগিতায় মোট ৭টি প্রজেক্টকে পুরস্কৃত করা হবে। বিজয়ী প্রজেক্টের প্রতিটিকে ২ লাখ টাকা এবং সম্মাননাপ্রাপ্ত প্রজেক্টগুলোকে ৫০ হাজার টাকাসহ ট্রফি ও সনদপত্র দেওয়া হবে। নিবন্ধিত স্থপতিদের জন্য মনোনয়ন ফরম জমার শেষ তারিখ ১৭ সেপ্টেম্বর এবং চূড়ান্ত প্রজেক্ট জমার শেষ তারিখ ২৯ অক্টোবর ২০২৬। জুরি মূল্যায়ন শেষে ডিসেম্বরের ৪র্থ সপ্তাহে বিজয়ীদের নাম প্রকাশ করা হবে।

বার্জার পেইন্টস বাংলাদেশ লিমিটেডের ম্যানেজিং ডিরেক্টর মহসিন হাবিব চৌধুরী বলেন, বাংলাদেশের স্থাপত্য শিল্পের বিকাশ ও নগর সভ্যতার নান্দনিক রূপায়ণে স্থপতিদের অবদান অতুলনীয়। বার্জার সবসময় স্থপতিদের এই সৃজনশীল যাত্রার পাশে থাকতে পেরে গর্বিত। স্থাপত্য শিল্পের এই উৎকর্ষ উদযাপনে আমাদের এই পথচলা আগামীতেও অব্যাহত থাকবে। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।

পূর্ববর্তী নিবন্ধদলীয় সংকীর্ণতার ঊর্ধ্বে ওঠে দেশের স্বার্থকে প্রাধান্য দিতে হবে
পরবর্তী নিবন্ধজনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠায় জামায়াত বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখছে