চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় দ্যা ন্যাশনাল নেটওয়ার্ক ফর ইন্টারন্যাশনাল ল স্টুডেন্টস (নিলস) ও লিগ্যাল ইমপাওয়ামেন্ট বাংলাদেশের (এলইবি) যৌথ উদ্যোগে দুই দিনব্যাপী ২য় ন্যাশনাল মডেল লেজিসলেটিভ এসেম্বলি ২০২৬–এর সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী সেশন গতকাল শনিবার বিকেলে চবি আইন অনুষদ অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত হয়। সমাপনী সেশনে প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আল্–ফোরকান।
চবি উপাচার্য সবাইকে শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, তোমরাই এ দেশের ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব। তোমাদের মধ্য থেকেই আগামী দিনের আইনপ্রণেতা, বিচারক, প্রশাসক ও রাষ্ট্রনায়ক তৈরি হবে। বাংলাদেশের সংসদ ও বিচারব্যবস্থার প্রতি মানুষের আস্থা কীভাবে আরও শক্তিশালী করা যায়, সে বিষয়ে তোমাদের চিন্তা ও দায়িত্বশীল ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আস্থা অর্জন ও আস্থা পুনর্নির্মাণে বর্তমান বাংলাদেশের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।
উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আল্–ফোরকান আরো বলেন, এ ধরনের প্রোগ্রাম তরুণদের আইন প্রণয়নের প্রক্রিয়া, সংসদীয় কার্যক্রম এবং রাষ্ট্র পরিচালনার বিভিন্ন দিক সম্পর্কে বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ করে দেয়। তিনি আয়োজকসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে ধন্যবাদ জানান। সমাপনী অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন চবি আইন বিভাগের প্রফেসর এ.বি.এম আবু নোমান, যুগ্ম জেলা ও সেশন জজ, চট্টগ্রাম রুপন কুমার দাস, ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটির আইন বিভাগের সিনিয়র লেকচারার নাদিয়া রহমান, নিলস–বাংলাদেশের সভাপতি ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (চাকসু) আইন ও মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক ফজলে রাব্বি তৌহিদ ও অনুষ্ঠানের কো–কনভেনর সামিয়া হক শাহী। সমাপনী পর্বে বিজয়ীদের সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করা হয়। তরুণ নেতৃত্ব বিকাশের এই আয়োজনে প্রধান পৃষ্ঠপোষকতা করছে ওয়াইপিএসএ (ণচঝঅ)। ‘ভিশনকে তরুণ মানসের মাধ্যমে নীতিতে রূপান্তর’ এই মূলমন্ত্রকে সামনে রেখে আয়োজিত এই অধিবেশনে দেশজুড়ে একঝাঁক শিক্ষার্থী, আমন্ত্রিত অতিথি, আইনজীবী এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ অংশগ্রহণ করেন। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।










