প্রচলিত প্রবাদেই রয়েছে: ‘সৎ সঙ্গে স্বর্গবাস, অসৎ সঙ্গে সর্বনাশ’। তরুণরা নেশায় আক্রান্ত হওয়ার প্রথম কারণ হচ্ছে খারাপ সঙ্গ। এছাড়াও দ্বিতীয় যে কারণটি তা হচ্ছে পারিবারিকভাবে বন্ধুত্বপূর্ণ মনোভাব না থাকা। উদাহরণ হিসেবে বলা যেতে পারে, একটি পরিবারের মধ্যে কোনো তরুণ ছেলের সঙ্গে মনোমালিন্যের ঘটনা ঘটলেই বিভিন্ন প্রকার মাদক সেবন করে মনের অস্থিরতা দূর করার চেষ্টা করে। তবে এর শুরু হয় স্বাভাবিকভাবে নেয়া ২/৩ টাকার সিগারেট থেকে। এভাবেই এক সময় তরুণরা ধীরে–ধীরে ঝুঁকে পড়ে মাদক সেবনে। এছাড়াও সন্তানদের হাতে অতিরিক্ত টাকা তুলে দেয়ার ফলে উচ্চাভিলাষী সন্তানরা মাদক গ্রহণ করার প্রয়াস পায়। আর এর জন্য দায়ী অসচেতন পরিবারের কর্তারা।
তরুণ বা যুবকদের আজ বিপথগামিতার কারণ যদি চিহ্নিত করতে যাই তাহলে বলতে হয় সামাজিক নিয়মনীতির বৈষম্য। স্বাধীনতার পাঁচ যুগ পেরিয়ে গেলেও বৈষম্যের হার কিন্তু কমছে না বরং বাড়ছে। আর এজন্য এ সমাজের তরুণরা মাদকাসক্ত হয়ে পড়ছে। বলতে গেলে প্রথমত নৈতিক শিক্ষার অভাব ও মাদকদ্রব্যের সহজপ্রাপ্তি। এর ফলে উঠতি বয়সের যুবকরা মাদক সেবনে আগ্রহী হয়ে উঠছে। শুধু তাই নয়, এ ক্ষেত্রে অভাবী মানুষের সংখ্যা বেশি। এসব অভাবী পরিবারের সন্তানরা লেখাপড়া শেষ করে উচ্চ শিক্ষিত হয়ে যখন ঘরে বসে থাকে তখন বেকারত্বের অভিশাপ তাদের বিষফোঁড়ার মতো হয়ে দাঁড়ায়। তখন এসব যুবক সবকিছু ভুলে থাকতে মাদকাসক্ত হয়ে পড়ে। এ ভয়ঙ্কর থাবা থেকে পরিত্রাণের পথ খুঁজতে হবে। আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকেও সজাগ থাকতে হবে।












