বিচার বিভাগের প্রতি জনগণের আস্থা বৃদ্ধি করতে হবে

পুলিশ-ম্যাজিস্ট্রেসি কনফারেন্সে চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মিজানুর রহমান

আজাদী প্রতিবেদন | মঙ্গলবার , ১১ মার্চ, ২০২৫ at ১১:০৯ পূর্বাহ্ণ

ফৌজদারী বিচার ব্যবস্থায় বিচার প্রশাসন, নির্বাহী বিভাগ, পুলিশ প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট সকল বিভাগ একে অপরের পরিপূরক বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রামের চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কাজী মিজানুর রহমান। গতকাল চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত পুলিশ–ম্যাজিস্ট্রেসি কনফারেন্সে তিনি এ কথা বলেন। চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কাজী মিজানুর রহমান বলেন, মানুষের শেষ আশ্রয়স্থল বিচার বিভাগের প্রতি জনগণের আস্থা বৃদ্ধি ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে নিজ নিজ দায়িত্ব ও কর্তব্য সঠিকভাবে সম্পন্ন করতে হবে। আশা করছি, সামনের দিনগুলোতে সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলোর পারষ্পরিক সমন্বয়ের মাধ্যমে ফৌজদারী বিচার ব্যবস্থায় আরো গতিশীলতা আসবে। বিচারাধীন মামলাসমূহের বিচার প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করার ক্ষেত্রে কার্যকর ভূমিকা পালনের জন্য মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ও নগরীর ১৬ থানার অফিসার ইনচার্জদের দিক নির্দেশনা প্রদান করে কাজী মিজানুর রহমান বলেন, আদালতে আসা–যাওয়ার পথে পর্যাপ্ত ট্রাফিক পুলিশ মোতায়েন বিষয়ে গুরুত্ব দিতে হবে।

তিনি আরো বলেন, নগরীর সকল থানার অফিসার ইনচার্জদের দক্ষতার সাথে তদন্তকাজ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শেষ করতে হবে। তিনি মামলার সাক্ষী উপস্থাপন নিশ্চিত করতে এবং সাক্ষীদের নিরাপত্তা বিধানে সংশ্লিষ্ট সকলকে কার্যকর ভূমিকা পালনের বিষয়ে নির্দেশনা প্রদান করেন। চাহিদার প্রেক্ষিতে পূর্বের চেয়ে দ্রুত মেডিকেল সনদ প্রদানের বিষয়ে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের প্রতিনিধি ডা. জুনায়েদ আহমেদের মাধ্যমে যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণের আশ্বাস প্রদান করেন।

চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কাজী মিজানুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কনফারেন্সে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সরকার হাসান শাহরিয়ার, চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের স্পেশাল ম্যাজিস্ট্রেট (যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ) মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের স্পেশাল ম্যাজিস্ট্রেট (যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ) মো. সোয়েব উদ্দীন খান, মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মুহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল, মো. আবু বকর সিদ্দিক, মো. আলমগীর হোসেন, মোহাম্মদ মোস্তফা, এস এম আলাউদ্দিন মাহমুদ ও নুসরাত জাহান জিনিয়া। এছাড়া উপ–পুলিশ কমিশিনার (প্রসিকিউশন) হুমায়ুন কবির, উপ–পুলিশ কমিশিনার (উত্তর) আমীরুল ইসলাম, জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের প্রতিনিধি সাকিব শাহরিয়ার, চমেক পরিচালকের প্রতিনিধি ডা. জুনায়েদ আহমেদ, ফরেনসিক মেডিসিনের ডা. খালেদ হাসান, চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির এড–হক কমিটির আহ্বায়ক এ কে এম মকবুল কাদের চৌধুরী, এড–হক কমিটির সদস্য মুহাম্মদ শামসুল আলম এবং মহানগর পাবলিক প্রসিকিউটর মো. মফিজুল হক ভূইয়া।

কনফারেন্সে আরো উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সিআইডি) সাইকুল আহমেদ, অতিরিক্ত উপ–পুলিশ কমিশনার (প্রসিকিউশন) মো. মফিজ উদ্দিন, ট্যুরিস্ট পুলিশের সহকারী পুলিশ সুপার নিত্যানন্দ দাশ, পুলিশের বিভিন্ন বিভাগের কর্মকর্তা, সিনিয়র জেল সুপার, পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক, চট্টগ্রাম মহানগরীর ১৬টি থানার অফিসার ইনচার্জ, মহানগর গোয়েন্দা শাখার পুলিশ কর্মকর্তারাসহ অন্যান্য অংশীজন উপস্থিত ছিলেন।

পূর্ববর্তী নিবন্ধনগরীর পাঁচ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা
পরবর্তী নিবন্ধ‘দুর্যোগে সচেতন থাকলে ক্ষয়ক্ষতি কম হবে’