দেশে চাহিদার তুলনার বেশি কোরবানিযোগ্য পশু আছে জানিয়ে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেছেন, সংকটের কোনো সম্ভাবনা তিনি দেখছেন না।
আসন্ন কোরবানির ঈদ উপলক্ষে গতকাল রোববার সচিবালয়ে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে কোরবানির পশুর চাহিদা নিরূপণ, সরবরাহ এবং দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে অবাধ পরিবহন নিশ্চিতকরণ বিষয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এ কথা বলেন। তিনি জানান, চলতি বছর কোরবানিযোগ্য গবাদিপশু রয়েছে ১ কোটি ২৩ লাখ ৩৩ হাজার ৮৪০টি। অন্যদিকে কোরবানির চাহিদা ধরা হয়েছে ১ কোটি ১ লাখ ৬ হাজার ৩৩৪টি। সে হিসেবে ২২ লাখ ২৭ হাজারের বেশি গবাদিপশু উদ্বৃত্ত থাকতে পারে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, এ বছর কোরবানির পশু নিয়ে কোনো সংকট তৈরি হওয়ার আশঙ্কা নেই। খবর বিডিনিউজের।
এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, সীমান্ত দিয়ে যাতে অবৈধভাবে কোরবানির পশু দেশে ঢুকতে না পারে, সেজন্য সরকার কঠোর নজরদারি করবে। সীমান্তে বিজিবি, পুলিশসহ কঠোর নজরদারি করা হবে। কোনো অনুপ্রবেশ বরদাশত করা হবে না। সীমান্তে অতীতে যে পরিমাণ আসত, আমার ধারণা গতবছর তার চার ভাগের এক ভাগও আসেনি। এবার জিরো হবে।
পশুর হাট এবং ক্রেতা–বিক্রেতাদের নিরাপত্তায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তৎপর থাকবে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, তারা সাদা পোশাকেও দায়িত্ব পালন করবে। অনলাইনে পশু বেচাকেনায় খাজনা বা হাসিল দিতে হবে না। কোরবানির পশুর ট্রাকে চাঁদাবাজি বন্ধে কঠোর অবস্থানে থাকবে সরকার।
এক প্রশ্নের উত্তরে মন্ত্রী বলেন, সিলেটের সুনামগঞ্জ, নেত্রকোণাসহ হাওরাঞ্চলের যেসব এলাকায় বন্যার পানিতে ফসলের ক্ষতি হয়েছে, এসব এলাকার ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সরকার তিন মাস সহায়তা দেবে।
হাওড় এলাকায় ফসল রক্ষায় বেড়িবাঁধ নির্মাণসহ প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে জানিয়ে তিনি বলেন, ভবিষ্যতে এমন ক্ষতি কমাতে স্থায়ী ও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণে সরকার কাজ করছে।













