শিক্ষাবিদ প্রফেসর রীতা দত্ত বলেছেন, বই আলোর উৎস, জ্ঞানের উৎস। এ জ্ঞানের উৎসের সাথে যারা বন্ধুত্ব করতে পারেন তারাই বইবন্ধু। বই ছাড়া মানুষ পরিপূর্ণ হতে পারে না। বই পড়েই মানুষ আলোকিত ও সমৃদ্ধ হতে পারে। চট্টগ্রাম একাডেমি ফয়েজ নুরনাহার মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত গতকাল শনিবার শৈলী প্রকাশন আয়োজিত মুক্তিযুদ্ধের বিজয় বই উৎসবের বইবন্ধু সম্মাননা অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন। শৈলী প্রকাশনের কর্ণধার রাশেদ রউফের সঞ্চালনায় আলোচনায় স্বাগত বক্তব্য দেন কবি আজিজ রাহমান। অনুভূতি ব্যক্ত করেন শৈলী বইবন্ধু সম্মাননাপ্রাপ্তদের মধ্যে শিশুসাহিত্যিক সজল দাশ, মৃণালিনী চক্রবর্তী, বাসুদেব খাস্তগীর, রূপক কুমার রক্ষিত, যিশু বড়ুয়া, রুনা তাসমিনা, কাসেম আলী রানা, ইসমাইল জসীম, জুবাইর জসীম, সরওয়ার কামাল পাশা, কানিজ ফাতিমা, গৌতম কানুনগো, সৈয়দা সেলিমা আক্তার, বিবেকানন্দ বিশ্বাস, বিশ্বজিত বড়ুয়া, শান্তময় দাশ, কোহিনুর শাকি, মো. রেজাউল করিম, মির্জা মোহাম্মদ আলী, প্রদ্যোত কুমার বড়ুয়া। কবিতা আবৃত্তি করেন কবি গৌরী সর্ব্ববিদ্যা ও প্রতিমা দাশ।
সভাপতির বক্তব্যে প্রফেসর রীতা দত্ত আরো বলেন, বই জ্ঞানের দিশারী। তাই আমরা সবসময় বইয়ের সাথে থাকবো। আমাদের প্রজন্মকে যেভাবে হোক বইমুখী করে তুলবো। করোনার দুঃসময়ে মানুষ খাঁটি বন্ধু হিসেবে পেয়েছে বইকেই। অন্ন থেকে পাই বাঁচার শক্তি, বই থেকে পাই মানসসমৃদ্ধির শক্তি। অনুষ্ঠানে শিশুসাহিত্যিক সজল দাশের তিনটি বইয়ের পাঠ-উন্মোচন করা হয়।
উল্লেখ্য, উৎসব প্রতিদিন বিকেল ৫টা থেকে রাত সাড়ে ৮টা পর্যন্ত চলবে। বইপ্রেমীদের স্বাস্থ্যবিধি মেনে সবান্ধব উপস্থিত থাকার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।
আজকের অনুষ্ঠান : সন্ধ্যা ৬টায় সাহিত্যকদেরকে ‘শৈলী বইবন্ধু সম্মাননা’ প্রদান করা হবে। সম্মাননা পাচ্ছেন অধ্যাপক এলিজাবেথ আরিফা মুবাশশিরা, শিশুসাহিত্যিক বিপুল বড়ুয়া, গল্পকার দীপক বড়ুয়া, কবি সুলতান নুরজাহান রোজী, মিলন বনিক, বিচিত্রা সেন, বিপ্রতীপ অপু, রাশিদা তিথি, কাজী জাহাঙ্গীর, এস এম মোখলেসুর রহমান, শিপ্রা দাশ, ইকবাল আহমেদ খান, জেবারুত সাফিনা, অনিক শুভ, মানস শেখর, সুপ্তা দাশ, শামীমা আক্তার হীরা, রফিকুল ইসলাম, শামসুল কবির লিটন, আবু বক্কর সিদ্দিক, মর্জিনা হক চৌধুরী পপি। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।












