ছুটির দিনে কক্সবাজার সৈকতে পর্যটকের ভিড়

| শনিবার , ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ at ৫:২৯ পূর্বাহ্ণ

সাপ্তাহিক ছুটির দিনে পর্যটকে মুখর হয়ে উঠেছে কক্সবাজারের পর্যটন এলাকাগুলো। বিশ্বের দীর্ঘতম অবিচ্ছিন্ন সমুদ্র সৈকতের কলাতলী, সুগন্ধা ও লাবণী পয়েন্টে গতকল শুক্রবার বিকেল থেকে বেড়েছে পর্যটকদের পদচারণা। সমুদ্রের উত্তাল ঢেউ উপেক্ষা করে আনন্দে মেতেছেন দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা পর্যটকরা। গতকাল শুক্রবার বিকেলে সৈকতের কলাতলী, সুগন্ধা ও লাবণী পয়েন্ট ঘুরে পর্যটকদের ভিড় দেখা যায়। কেউ সমুদ্রের পানিতে নেমে ঢেউয়ের সঙ্গে আনন্দ করছেন, কেউ সৈকতে বসে উপভোগ করছেন প্রকৃতির সৌন্দর্য। পরিবার, বন্ধু ও স্বজনদের নিয়ে অনেকেই ছুটির দিনটি কাটাচ্ছেন সৈকতে। আকাশে কখনও রোদ, কখনও মেঘ, আবহাওয়ার এই রূপ পাল্টানো আমেজে বাড়তি আনন্দ পেয়েছেন পর্যটকরা। সৈকতের বালিতে চলছে বাচ্চাদের খেলাধুলা আর ঘোড়ার পিঠে চড়ে উপভোগ করছেন অনেক পর্যটক। কক্সবাজার সৈকতে যেন বসেছে এক মিলনমেলা। খবর বাসসের।

বর্ষা মৌসুমে পর্যটক কম থাকলেও এখন আবহাওয়ার উন্নতিতে আবারও ফিরছে সেই চিরচেনা গতি। পর্যটন ব্যবসায়ীরা বলছেন, সামনে পর্যটকের ভিড় আরও বাড়বে। পর্যটক জেনিফা মারজান বলেন, সমুদ্র আর আকাশ, এই যে সৌন্দর্য কোথাও পাওয়া যাবে না। সমুদ্রের ঢেউ আর নির্মল বাতাস ক্লান্তি দূর করার জন্য স্বর্গীয় সুখের মতো। সাগরকে ঠিক এভাবেই উপভোগ করি।

সি সেফ লাইফ গার্ড সংস্থার সিনিয়র লাইফ গার্ড কর্মী সাইফুল্লাহ সিফাত বলেন, আমরা লাইফ গার্ড সদস্যরা নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করছি। ভ্রমণপিপাসুদের নিরাপদ দূরত্ব বজায় রেখে গোসল করার পরামর্শ দিচ্ছি। সাগরের ঢেউ উত্তাল থাকায় এখনও লাল পতাকা উড়িয়ে সমুদ্রস্নানে সতর্ক করা হচ্ছে পর্যটকদের। তবে অনেকে মানছেন, আবার অনেকেই মানছেন না। তারপরও সৈকতের সুগন্ধা, কলাতলী ও লাবণী পয়েন্টে লাইফ গার্ড কর্মীরা সজাগ রয়েছেন।

দিন শেষে সূর্য যখন পশ্চিমে হেলে পড়ে, তখনও কক্সবাজারের সৈকতে রয়ে যায় আনন্দের রেশ। ভ্রমণ পিপাসুরা ফিরছেন সুখ স্মৃতি নিয়ে, আর অপেক্ষা শুরু হয় পরবর্তী ছুটির দিনের। সাগরের টানে কক্সবাজারের পথে পথে যেমন বাড়ছে পর্যটকের আনাগোনা, তেমনি নিরাপত্তা ও পরিবেশ রক্ষায় সবার সচেতনতাও প্রয়োজন বলে মনে করছেন কক্সবাজার সিভিল সোসাইটির সভাপতি আবু মোরশেদ চৌধুরী খোকা।

পূর্ববর্তী নিবন্ধলোডশেডিংয়ে উৎপাদন কমছে মীরসরাই বিসিক শিল্পনগরীর