চট্টগ্রামের পর্যটনকে বিশ্বমানের গন্তব্যে রূপান্তরে উদ্ভাবনী পরিকল্পনা উপস্থাপন

আমা কফি দৃষ্টি বিজনেস আইডিয়া কনটেস্টের গ্র্যান্ড ফিনালে

| শনিবার , ১৮ জুলাই, ২০২৬ at ১০:৪২ পূর্বাহ্ণ

মেইক লোকাল, বিজনেস গ্লোবাল এই দর্শনকে সামনে রেখে চট্টগ্রামের পর্যটনকে বিশ্বমানের গন্তব্যে রূপান্তরের লক্ষ্যে উদ্ভাবনী পরিকল্পনা উপস্থাপনের মধ্য দিয়ে গত ১৬ জুলাই নগরীর একটি রেস্টুরেন্টে অনুষ্ঠিত হয়েছে আমা কফি দৃষ্টি বিজনেস আইডিয়া কনটেস্টের ১৪তম আসরের গ্র্যান্ড ফিনালে। তরুণদের উদ্ভাবনী চিন্তা, উদ্যোক্তামানসিকতা এবং বাস্তবভিত্তিক ব্যবসায়িক পরিকল্পনার বিকাশে আয়োজিত এবারের প্রতিযোগিতার মূল প্রতিপাদ্য ছিল-‘চট্টগ্রামকে পর্যটন খাতে আরও উন্নত করতে কী ধরনের পরিকল্পনা গ্রহণ করা যেতে পারে।’

গত ৩ জুলাই চট্টগ্রামের ১২টি বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩৬টি দলের অংশগ্রহণে শুরু হয় এই প্রতিযোগিতা। কয়েকটি বাছাইপর্ব ও উপস্থাপনা পর্ব অতিক্রম করে চারটি দল গ্র্যান্ড ফিনালে জায়গা করে নেয়। চূড়ান্ত পর্বে অংশ নেয় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের দুটি দল, চট্টগ্রাম ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইউনিভার্সিটির এবং সাদার্ন ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের।

ফাইনাল পর্বে প্রতিযোগীরা চট্টগ্রামের পর্যটন শিল্পের সম্ভাবনা, বিদ্যমান চ্যালেঞ্জ এবং টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যে বিভিন্ন উদ্ভাবনী ব্যবসায়িক পরিকল্পনা উপস্থাপন করেন। তাদের প্রস্তাবনায় পর্যটন অবকাঠামোর উন্নয়ন, ডিজিটাল প্রচারণা, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিনির্ভর পর্যটন, পরিবেশবান্ধব উদ্যোগ, স্থানীয় জনগোষ্ঠীকে সম্পৃক্ত করে কমিউনিটিভিত্তিক পর্যটন এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে চট্টগ্রামকে একটি আকর্ষণীয় পর্যটন ব্র্যান্ড হিসেবে তুলে ধরার নানা দিক স্থান পায়। উপস্থাপনা শেষে বিচারকরা প্রতিটি দলের পরিকল্পনার বাস্তবায়নযোগ্যতা, আর্থিক সম্ভাবনা, উদ্ভাবনী দৃষ্টিভঙ্গি এবং সামাজিক প্রভাব নিয়ে প্রশ্ন করেন। প্রতিযোগী দলগুলো আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বিচারকদের প্রশ্নের উত্তর দেয়। প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ও রানার আপ হয় চট্টগ্রাম ইন্ডিপেন্ডেন্ট বিশ্ববিদ্যালয়।

এবারের প্রতিযোগিতার টাইটেল স্পন্সর ছিল আবুল খায়ের গ্রুপের ব্র্যান্ড ‘আমা অথেনটিক ব্রাজিলিয়ান কফি’। গ্র্যান্ড ফিনালে বিচারকের দায়িত্ব পালন করেন গীতিকার আসিফ ইকবাল, স্থপতি আশিক ইমরান, নারী উদ্যোক্তা শারমীন হোসেন, দৈনিক আগামীর সময়এর যুগ্ম সম্পাদক রফিকুল বাহার, বাংলাদেশ শিপ ব্রেকার্স অ্যান্ড রিসাইক্লার্স অ্যাসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মহসিন এবং ব্যাংক এশিয়া পিএলসি’র উপব্যবস্থাপনা পরিচালক কায়েস চৌধুরী।

শেষে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন দৃষ্টির প্রতিষ্ঠাতা মাসুদ বকুল। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিটি মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি কলিম সরওয়ার।

বক্তব্য দেন, চবি শিক্ষক ড. আদনান মান্নান, দৃষ্টির সহসভাপতি শহীদুল ইসলাম ও সাবের শাহ, নির্বাহী কমিটির সদস্য সচিব মুজিবুর রহমান, প্রধান সমন্বয়কারী মুন্না মজুমদার, প্রতিযোগিতার সমন্বয়কারী সাইফুদ্দিন মুন্না এবং যুগ্ম সমন্বয়কারী মুজিবুল হক। শেষে বিজয়ী দলগুলোর হাতে পুরস্কার, ক্রেস্ট ও সনদ তুলে দেওয়া হয়। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।

পূর্ববর্তী নিবন্ধপ্রত্যাশীর ৪৩তম বার্ষিক সাধারণ সভা
পরবর্তী নিবন্ধমার্থা গেলারহর্ন: যে সাংবাদিক নিজের পরিচয় নিজেই লিখেছিলেন