সারা দেশের মতো চট্টগ্রামেও চলতি মৌসুমে সরকারিভাবে বোরো ধান ও চাল সংগ্রহ শুরু হয়েছে। জেলার কৃষক ও নগরীর মিল মালিকদের কাছ থেকে এসব ধান ও চাল সংগ্রহ করা হবে। এর মধ্যে ধান সরাসরি কৃষকদের কাছ থেকে এবং চাল সংগ্রহ করা হবে মিল মালিকদের কাছ থেকে। এবার কৃষকদের কাছ থেকে ৬৫০৬ মেট্রিক টন বোরো ধান এবং মিল মালিকদের কাছ থেকে ৪৯৫০ মেট্রিক টন আতপ ও সেদ্ধ চাল সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে বলে চট্টগ্রাম জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের কার্যালয় থেকে জানা গেছে। ধান–চাল সংগ্রহের এই কার্যক্রম চলবে আগামী ৩০ আগস্ট পর্যন্ত।
চট্টগ্রাম জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের কার্যালয় সূত্র জানা যায়, এবার সরকারি ভাবে গ্রামীণ পর্যায়ে কৃষকদের কাছ থেকে প্রতি কেজি বোরো ধান ৩৬ টাকা এবং মিলারদের কাছ থেকে প্রতি কেজি সেদ্ধ চাল ৪৯ টাকা ও আতপ চালের দাম ৪৮ টাকা কেজি নির্ধারণ করা হয়েছে।
চট্টগ্রাম জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক দপ্তরের উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক (কারিগরি) রাজীব কুমার দে আজাদীকে জানান, চলতি বোরো মৌসুমে চট্টগ্রামে সরকারিভাবে কৃষক ও মিলারদের কাছ থেকে ধান ও চাল সংগ্রহ শুরু হয়েছে। এবার আমাদের ধান সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৬৫০৬ মেট্রিক টন। সরাসারি কৃষকদের কাছ থেকে মাঠ পর্যায়ে এসব বোরো ধান সংগ্রহ করা হবে। একইভাবে চলতি মৌসুমে মিল মালিকদের কাছ থেকে চাল সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৪৯৫০ মেট্রিক টন। এরমধ্যে আতপ চালের পরিমান ৪৫০০ মেট্রিক টন এবং সেদ্ধ চালের পরিমান ৪৫০ মেট্রিক টন। তিনি জানান, গ্রামীণ পর্যায়ে কৃষকদের কাছ থেকে প্রতি কেজি বোরো ধান ৩৬ টাকা এবং মিলারদের কাছ থেকে প্রতি কেজি সেদ্ধ চাল ৪৯ টাকা ও আতপ চালের দাম ৪৮ টাকা কেজি নির্ধারণ করা হয়েছে। চট্টগ্রামে সীতাকুণ্ড ও মীরসরাই উপজেলার বাসিন্দারা সেদ্ধ চাল খান। অন্যান্য সব উপজেলার বাসিন্দারা আতপ চাল খেয়ে থাকেন। ধান সংগ্রহ করা হবে জেলার ১৫টি উপজেলা থেকে।
চলতি মৌসুমে উৎপাদন ভালো হওয়ায় লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি ধান–চাল সংগ্রহ সম্ভব হবে বলে ধারণা করছে খাদ্য অধিদপ্তর। সরকার নির্ধারিত দাম বাজারদরের কাছাকাছি থাকায় কৃষকরাও স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নিচ্ছেন বলে জানা গেছে। কৃষি অফিস জানিয়েছে, এবার উৎপাদন বাড়ার কারণে কৃষকরা খুশি। তাছাড়া এবার ন্যায্যমূল্য পাওয়ায় কৃষকরা সরকারি ভাবে ধান সংগ্রহ কার্যক্রমে যুক্ত হয়েছেন।












